রাঙ্গামাটিতে সহস্রাধিক পরিবারের ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস

আপডেট : ০৮ অক্টোবর ২০১৬, ১৯:৩১
গত ক’দিনের টানা বর্ষণে পাহাড় ধসের আশংকা থাকা সত্ত্বেও রাঙ্গামাটি শহরের কয়েকটি পাহাড়ি এলাকায় সহস্রাধিক পরিবার ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থাতেই বসবাস করছে।
 
জেলা প্রশাসক মো. মানজারুল মান্নান বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এই সব পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরে আসার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিকবার অনুরোধ করার পরেও পরিবারগুলো নিজেদের ভিটা ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে সরে আসতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
 
শনিবার দুপুরে রাঙ্গামাটি জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা বিশ্বনাথ মজুমদার এবং সদর উপজেলা ত্রাণ কর্মকর্তা মো. তৈয়ব এর নেতৃত্বে জেলা প্রশাসেনের একটি প্রতিনিধিদল রাঙ্গামাটি শহরের শিমুলতলী এলাকায় পাহাড়ের ওপরে এবং পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত পরিবারগুলোকে নিরাপদ আশ্রয় স্থানে সরে আসার অনুরোধ করলেও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার এইসব পরিবার আশ্রয় কেন্দ্রে সরে আসতে অস্বীকৃতি জানান।
 
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকতা বিশ্বনাথ মজুমদার জানান, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত এইসব পরিবারগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়স্থানে সরে আসার জন্য বারংবার অনুরোধ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে।
 
তিনি বলেন, স্থানীয় ভেদভেদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় একটি আশ্রয় কেন্দ্রও খোলা হয়েছে। কিন্তু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত লোকজনদের কোনোমতে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনা যাচ্ছে না।
রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক মো. মানজারুল মান্নান জানান, টানা ক’দিনের বর্ষণে রাঙ্গামাটিতে যাতে কোনো ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি না হয় সে বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। জেলা ত্রাণ অফিসে একটি মনিটরিং সেলও খোলা হয়েছে।
 
জেলা ত্রাণ অফিসের একটি সূত্র জানিয়েছে সম্ভাব্য দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে ৮০ মেট্টিক টন খাদ্য শস্য এবং নগদ ১ লাখ ২০ হাজার টাকার মজুদ রাখা হয়েছে। বাসস।