নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় রেশনিং কার্ডের মাধ্যমে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ ব্যহত হয়েছে। সূত্র জানায়, ১ সেপ্টেম্বর থেকে এ কর্মসূচি চালু হওয়ার কথা থাকলেও দলীয় কোন্দল ও ডিলার নিয়োগে জটিলতার কারণে চেয়ারম্যান-মেম্বারদের মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরে এ কর্মসূচি চালু করা যাচ্ছে না।
জানা গেছে, এ উপজেলায় ২২ হাজার ২৩৪ জন হত দরিদ্রকে রেশনিং কার্ডের মাধ্যমে ১০ টাকা কেজি দরে সেপ্টেম্বর মাস থেকে চাল দেয়ার কথা। কিন্তু এখন পর্যন্ত ডিলার নিয়োগ করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। নয়টি ইউনিয়নের জন্য ৩৯ জন ডিলার নিয়োগ করা হবে। কিন্তু এর বিপরীতে ডিলারশিপের জন্য ১২৯ জন আবেদন করেছেন। এদের মধ্যে অনেকে প্রভাবশালী রয়েছেন। আর এ কারণেই এ কার্যক্রম এখন পর্যন্ত শুরু করা যায়নি।
এ ব্যাপারে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তালিকা যাচাই কমিটির প্রধান উপদেষ্টা নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ শওকত চৌধুরী জানান, ‘চেয়ারম্যান-মেম্বাররা হতদরিদ্রদের তালিকা এখনো চূড়ান্ত করতে পারেনি। ডিলার নিয়োগের বিষয়টি মাত্র একদিনের ব্যাপার।’
ডিলার নিয়োগ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মেহেদী হাসান বলেন, ‘যে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি দেয়া হয়েছে সে ব্যাপারে উপদেষ্টাদের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।’
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা সামছুল হক বলেন, ‘ডিলার নিয়োগে আবেদনকারীদের যাচাই বাছাই কাজ চলছে। দলীয় কোন্দল আছে কিনা জানিনা।’
ইত্তেফাক/এএসএমইউ/এমআই
