তালাক দেয়ায় স্বামী ওমর আলীকে (৩০) কুপিয়ে যখম করেছে স্ত্রী স্বর্ণা বেগম।
সোমবার ভোরে গুরুদাসপুর পৌর সদরের খলিফা পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। আহত ওমর আলীকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ স্বর্ণা বেগমকে (২৫) গ্রেফতার করেছে।
এ ঘটনায় ওমর আলীর বাবা আনছার আলী বাদী হয়ে স্বর্ণা খাতুন (২৭), মো. খয়বর হোসেন (৩৭) ও রওশনারাকে (৩১) অভিযুক্ত করে গুরুদাসপুর থানায় হত্যা চেষ্টা মামলা করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, স্বর্ণা পৌর সদরের আনন্দনগর মহল্লার আতাহার সরদারের মেয়ে। আড়াই মাস আগে ওমর আলীর সঙ্গে তার দ্বিতীয় বিয়ে হয়। ওমর আলীর স্ত্রী-সন্তান থাকার পরও দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এ কারণে প্রায়ই প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে ওমরের ঝগড়া হতো। এক পর্যায়ে স্বর্ণা বেগমকে তার বাবার বাড়ি আনন্দনগর পাঠানো হয়। সেখানে বেশ কিছু দিন ধরে অবস্থান করছিলেন স্বর্ণা বেগম। রবিবার গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে স্বর্ণাকে তালাক দেন ওমর। এতে স্বর্ণা ক্ষিপ্ত হয়ে ওমরের ওপর হামলা চালায়।
স্বর্ণা বেগম বলেন, সাত বছর আগে বামোনকোলা গ্রামের সহিদুল ইসলামের ছেলে আলাল হোসেনের সঙ্গে তার প্রথম বিয়ে হয়। বন্ধুত্বের সূত্র ধরে ওই বাড়িতে যাতায়াত করতেন ওমর। এক পর্যায়ে ওমরের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওমরের প্রলোভনে তিন মাস আগে তিনি প্রথম স্বামীকে তালাক দিয়ে ওমরকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকেই প্রথম বউয়ের সঙ্গে ওমরের ঝগড়া হতো। এ কারণে স্বর্ণা তার বাবার বাড়িতেই থাকতেন। হঠাৎ গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে তাকে তালাক দেন ওমর। এ কারণে তিনি ওমরের ওপর হামলা চলিয়েছেন।
গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দিলীপ কুমার দাস বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। স্বর্ণা বেগমকে গ্রেফতার করে নাটোর জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
ই্ত্তেফাক/ইউবি
