ত্রিশালে টেলিটক টাওয়ার নির্মাণের কথা বলে ফিঙ্গার প্রিন্ট

আপডেট : ১৮ অক্টোবর ২০১৬, ১৫:০৭
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ধানীখোলা ইউনিয়নের হাপানিয়া এলাকায় টেলিটকের টাওয়ার নির্মাণ ও বিনামূল্যে সিম বিতরণের কথা বলে প্রায় ৪০ জনের ফিঙ্গার প্রিন্ট নিয়েছে স্থানীয় জয়নাল আবেদীন নামে এক ব্যক্তি। ফিঙ্গার প্রিন্ট নেয়ার পর কোনো টাওয়ার নির্মাণ বা সিম দেয়া হয়নি। এতে ফিঙ্গার প্রিন্ট প্রদানকারীরা আতংকিত হয়ে ত্রিশাল থানায় সাধারণ ডায়েরিসহ পুলিশ সুপার ও র‌্যাব বরাবরে অভিযোগ করেছেন।
 
জানা গেছে, উপজেলার ধানীখোলা ইউনিয়নে হাপানিয়া এলাকার মো. জয়নাল আবেদীন ৭ সেপ্টেম্বর এলাকায় টেলিটকের টাওয়ার নির্মাণ, বিনামূল্যে সিম বিতরণ ও লটারীর মাধ্যমে পুরস্কার এবং স্থানীয় লোকজনদের টেলিটক টাওয়ারে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখায়। এ সব প্রলোভনে সাধারণ মানুষ তাদের ফিঙ্গার প্রিন্টসহ ভোটার আইডি কার্ড তার হতে তুলে দেয়।
 
সরেজমিনে জানা গেছে, এলাকায় প্রায় ৪০ জন পুরুষ ও নারীর কাছ থেকে ফিঙ্গার প্রিন্ট নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফিঙ্গার প্রিন্ট নেয়ার পর এক মাস পেরিয়ে গেলেও এখন র্পযন্ত কোনো প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ায় এ বিষয়ে স্থানীয় লোকজন জয়নাল আবেদীনকে বারবার চাপ প্রয়োগ করেন। জয়নাল আবেদীন এর কোনো সঠিক উত্তর না দিয়ে গ্রামবাসীদের উল্টো বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
 
এ বিষয়ে স্থানীয় মো. আব্দুল কুদ্দুস সাধারণ ডায়েরি এবং মো. আকরাম হোসেন ত্রিশাল থানায় অভিযোগ করেছে। এছাড়াও ২০-২৫ জন লোকের স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার, র‌্যাব-১৪ অধিনায়ক ও ত্রিশাল থানা বরাবর প্রদান করা হয়েছে।
 
অভিযুক্ত জয়নাল আবেদীন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। কিন্তু কি কারণে আঙ্গুলের ছাপ ও জাতীয় পরিচয় পত্র নাম্বার নেয়া হয়েছে জানতে চাই প্রসঙ্গটি এড়িয়ে যান। এবং এই প্রতিবেদকের সঙ্গে সাক্ষাতে কথা বলবেন বলে ফোন কেটে দেন।
 
ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘এ ব্যাপারে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তের পর বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।’
 
ইত্তেফাক/এএসএমইউ