দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার ৩৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পদগুলি দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকার কারণে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের ৩৮ টি এবং সহকারী শিক্ষকের ৩২টি পদ শূন্য রয়েছে।
উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা ১২১টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এগুলোর মধ্যে প্রধান শিক্ষকের ৩৮টি এবং সহকারী শিক্ষকের ৩২টি পদ শূন্য রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো কাঁঠালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দেবিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ডহচি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ডাবর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাদুল্যাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভবানিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাটনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শাহাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাসুদেবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সরঞ্জা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পানিশাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ডাবর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঈশ্বরগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মালিহাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ তারাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর মহেশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জোত মুকুন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শংকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ বাইশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কোটগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ওলন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দ্বীপনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিরলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঘাসিহারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম মুকুন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মির্জাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বনরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চকপ্রাণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পানিগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভাতগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুন্দরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাজী কাটনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঈশানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মুকুন্দপুর আদিবাসি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
কাজী কাটনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আনোয়ার জানান, প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী রয়েছে এই স্কুলে। এমনিতেই শিক্ষক সঙ্কট তার উপর দাফতরিক কাজের জন্য শিক্ষা অফিসসহ বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়। যে কারণে সঠিকভাবে স্কুলের দায়িত্ব পালন করা যাচ্ছে না। এতে করে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. হেমায়েদ আলী তথ্যের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘যেসব বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই সেসব বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন।’
তিনি আরো বলেন, ‘এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুত এর সমাধান হবে।’
ইত্তেফাক/এএসএমইউ
