পশ্চিম পটিয়ার কর্ণফুলীতে সঞ্চয় ও ঋণ দেওয়ার নামে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোস্যাল অ্যাসোসিয়েশন অব সোসাইটি ‘সাস’ নামে এনজিও সংস্থার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। এদিকে বৃহস্পতিবার গ্রাহকরা এনজিও অফিসটি ঘেরাও করে।
পশ্চিম পটিয়ার খোয়াজনগর আইয়ুব বিবি সিটি করপোরেশন স্কুল এন্ড কলেজের পাশে বশির মেম্বারের বিল্ডিংয়ের নিচ তলায় সোস্যাল অ্যাসেসিয়েশন অব সোসাইটি (সাস) নামে এনজিও সঞ্চয় ও ঋণ দেওয়ার কথা বলে কয়েক শতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে কৌশলে বিপুল পরিমাণ টাকা আদায় করে। গত ১৬ অক্টোবর গ্রাহকদের ঋণ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গ্রাহকদের ঋণের টাকা না দিয়ে অফিস বন্ধ করে উধাও হয়ে গেছে এর কর্মকর্তারা। ওইদিন অফিসে এসে গ্রাহকরা ফেরত গেলে পরদিন সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অফিসটি ঘেরাও করে রাখে তারা।
এনজিওটির গ্রাহকরা জানিয়েছে, ঋণ দেওয়ার কথা বলে কারও কাছ থেকে ৫০ হাজার, কারও কাছ থেকে ২০ হাজার এভাবে দুই শতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে এ ধরনের টাকা সংগ্রহ করে কয়েকজন ফিল্ড অফিসার। গ্রাহকরা অফিসে এসে টাকা না পেয়ে সোস্যাল অ্যাসোসিয়েশন অব সোসাইটির বিরুদ্ধে কর্ণফুলী থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অফিসের সামনে সোস্যাল অ্যাসোসিয়েশন অব সোসাইটি নামের পাশে সরকারি রেজিষ্ট্রেশন ব্যবহার করা হয়েছে। তবে সেখানে কর্ণফুলী ব্রাঞ্চ ব্যবহার করা হয়েছে। অথচ এ নামে পটিয়া উপজেলা কোনো সমবায় কিংবা ঋণ দেওয়া, নেওয়া এবং সঞ্চয় করতে পারে এরকম কোনো সংগঠনের রেজিষ্ট্রেশন নেই বলে সমবায় অফিস সূত্রে জানা গেছে।
কর্ণফুলী থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, তদন্ত করে এনজিওটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পটিয়া উপজেলা সমবায় অফিসার ইন্সফেক্টর মো. আজিম জানান, খোয়াজনগর এলাকায় সোস্যাল অ্যাসোসিয়েশন অব সোসাইটি নামে কোনো সমবায় সংগঠনের রেজিষ্ট্রেশন নেই।
ইত্তেফাক/এএন
