সংক্রমিত জলাতঙ্ক বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করেছে বিশেষজ্ঞরা। বর্তমান প্রেক্ষাপটে জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণে কুকুরের টিকাদান-কর্মসূচি সফল করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সচেতনতা, সমন্বয় ও প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাব ও জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা এই রোগ প্রতিরোধের প্রধান বাধা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাই একে সম্মিলিতভাবে মোকাবেলার কোনো বিকল্প নেই বলে তারা মতামত ব্যক্ত করেন বক্তারা।
রাজশাহী মহানগরীতে জলাতঙ্ক প্রতিরোধ কার্যক্রম গতিশীল করতে রাজশাহী সিটি করপোরেশন (আরসিসি) তাদের সম্মেলন কক্ষে সোমবার এক সভার আয়োজন করে।
আলোচনার মূল বিষয় বস্তু ছিল ‘‘জলাতঙ্ক: শিক্ষাদান, টিকাদান, দুরীকরণ’’।
আরসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আঞ্জুমান আরা বেগমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য বিভাগীয় পরিচালক ডা. আশীষ কুমার সাহা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি ও এনিমেল সায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. খন্দকার মোজাফ্ফর হোসেন।
আরো বক্তব্য রাখেন জেলা পশুসম্পদ সার্ভিসের ইসমাইল হোসেন, সিভিল সার্জন অফিসের ফরিদ হোসেন, আরসিসির প্রধান কনজারভেন্সি অফিসার শেখ মামুন ও ভেটেরিনারি সার্জন ডা. ফরহাদ হোসেন প্রমুখ।
ডা. আঞ্জুমান আরা বেগম বলেন, নির্বিচারে ও নৃশংভাবে কুকুর হত্যার পরিবর্তে টিকার মাধ্যমে কুকুরের প্রজনন সংখ্যা কমানো যেতে পারে।
