মংলা-খুলনা মহাসড়কের ছয় কিলোমিটারে গর্ত ও খানা-খন্দ

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০১৬, ০১:৪৫
মংলার সঙ্গে সারা দেশের সড়কপথে যোগাযোগের একমাত্র উপায় মংলা-খুলনা জাতীয় মহাসড়ক। আর এ মহাসড়কের প্রায় সাড়ে ছয় কি.মি. রাস্তা ভেঙে ও খানা-খন্দ হয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সংস্কারের অভাবে এ পথে যাত্রীসাধারণ ও বন্দরসহ শিল্প-কারখানায় পণ্য পরিবহনে দিন দিন ভোগান্তি চরমে উঠছে। প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।
 
সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মংলা-খুলনা জাতীয় এ মহাসড়ক ঢাকার সঙ্গে খুলনা ও বরিশালের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ পথ। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এ সড়ক ব্যবহার করেন। মংলা সমুদ্র বন্দর, মংলা রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা, মংলা শিল্প এলাকা, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের ঘাঁটিসহ বিভিন্ন কারণে সড়কটি অত্যন্ত ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ। মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের কয়েকশ’ কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রতিদিন খুলনা থেকে এ পথে মংলায় এসে অফিস করেন। তাছাড়া প্রতিদিন দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বসহ অসংখ্য পর্যটক এ সড়কপথে মংলা হয়ে বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন ভ্রমণে যান।
 
বর্তমানে মংলা থেকে খুলনা পর্যন্ত দীর্ঘ ৫০ কি.মি. সড়কের সাড়ে ছয় কি.মি. রাস্তা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৩ সালে এ রাস্তার সংস্কার করা হয়। গত তিন বছরে আর কোনো সংস্কার না হওয়ায় অবস্থা বেহাল হয়ে পড়েছে।
 
মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল রিয়াজউদ্দিন আহম্মেদ বলেন, সড়কটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। মংলা বন্দরকে সচল রাখতে সড়কটির অর্থনৈতিক গুরুত্ব অনেক। চালু রাখতে সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশে আমরা বন্দর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে মাঝে মাঝেই ইট বালু দিয়ে সংস্কার করি। স্থায়ীভাবে এ কাজটি সওজের করার কথা। আশা করবো যত দ্রুত সম্ভব গুরুত্ব বিবেচনা করে সড়ক ও জনপথ সঠিকভাবে সংস্কার করবে।
 
সড়ক ও জনপথ বিভাগের বাগেরহাট জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী আনিসুজ্জামান মাসুদ বলেন, এ রাস্তাসহ বাগেরহাটের কাটাখালী থেকে নওয়াপাড়া অংশে ১৫ কোটি টাকা প্রাক্কলন ব্যয় ধরে আমরা দরপত্র আহ্বান করেছি। আশা করছি দ্রুত পুরো প্রক্রিয়া শেষ করে সংস্কারের কার্যাদেশ দিতে পারবো।
 
ইত্তেফাক/এএন