রাবিতে ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে নিম্নমানের খাবার-মূল্যবৃদ্ধি

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০১৬, ১৭:২০
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন খাবার দোকানগুলোতে খাবার মূল্য কয়েকগুণ বৃদ্ধির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া অন্যান্য সময়ের চেয়ে অত্যন্ত নিম্নমানের খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, ভর্তিচ্ছু ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের। শুধু খাবার হোটেলগুলোতে নয়, রিকশা ও অটো চালকরাও স্বাভাবিক ভাড়ার চেয়েও কয়েকগুণ ভাড়া আদায় করছেন ভর্তিচ্ছুদের কাছ থেকে।
 
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়া, সাগর ক্যান্টিন, সিলসিলা রেস্তোরা, বিনোদপুর বাজার, কাজলা বাজার, স্টেশন বাজার, টুকিটাকি চত্বর ও বিভিন্ন হলের সামনে খাবারের দোকানগুলোতে মূল্য কয়েকগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। ছোট দুই টুকরা গরু বা মুরগীর মাংসের দাম ৩০টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৬০-১০০ টাকা, ছোট এক টুকরা মাছ ২০টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৪০-৫০ টাকা করা হয়েছে। একই অবস্থা অন্যান্য খাদ্য সামগ্রীরও।
 
টাঙ্গাইল থেকে আসা ভর্তিচ্ছু মেহেদী হাসান বলেন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার দেয়া হচ্ছে। খাবারের মান এতই খারাপ যে মুখে নিয়ে ফেলে দিতে হচ্ছে। এখানে দু’দিন থাকতে হবে, বুঝতেছিনা কি হবে। না খেয়ে মারা যেতে হবে মনে হচ্ছে।
 
মূল্য বৃদ্ধির ব্যাপারে খাবারের দোকানের মালিকরা বলেন, ক্যাম্পাসে তো এখন ঈদ চলছে। এই চারটা দিনইতো আমাদের ব্যবসা। আমরা তো সারাবছর নেই না। আবার অনেক দোকানদার পরিমাণ বৃদ্ধি করার কারণে দাম বাড়ানো হয়েছে বললেও বাস্তবে পরিমাণ আরো কমে গেছে বলে জানা গেছে।
 
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক মিজানুর রহমান বলেন, এ বিষয়গুলো প্রক্টরের দায়িত্বে আছে। তিনি ভাল বলতে পারবেন।
 
তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মুজিবুল হক আজাদ খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার দায়িত্ব আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা, খাবার দোকান পাহারা দেয়ার দায়িত্ব আমার নয়। এসবের দায়িত্ব কার জানতে চাইলে তিনি কিছু না বলেই ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। 
 
 
 
ইত্তেফাক/এমআই