ঘোড়াঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (ওসমানপুর) মোড় থেকে ঘোড়াঘাট দিনাজপুর মহাসড়ক সংযোগ সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের ইটের খোয়া বিছান হলেও কোনো অভিযোগই কর্ণপাত করছেন না উপজেলা প্রকৌশলী। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রোখছানা বেগম স্বচক্ষে তিন দিন নিম্নমানের ইটের খোয়া বিছান দেখেন। পরে এ অনিয়মের বিষয়ে একাধিকবার উপজেলা প্রকৌশলীকে জানান। উপজেলা প্রকৌশলী নিজে উপস্থিত থেকে ঠিকাদারকে দিয়ে নিম্নমানের ইটের খোয়া বালু দিয়ে ঢেকে দিয়েছেন।
উপজেলা পরিষদের সড়কের এ অনিয়মের ব্যাপারে ঘোড়াঘাট ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ, কৃষ্ণরামপুর সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষসহ প্রায় ১০-১২ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান। রংপুর বিভাগ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ১ দশমিক ৩০ কি.মি. এ রাস্তাটি ৭০ লাখ টাকার ঊর্ধ্বে বাস্তবায়ন করছে এলজিইডি।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী সিহাদুল ইসলাম জানান, ওয়ার্ক ওয়ার্ডারে পিকেট ও ১নং ইটের খোয়া বিছানোর নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু পিকেট ও ১নং ইটের খোয়া রোলার মেশিনে দাবান যাবে না, তাই এসব নিম্নমানের ইটের খোয়া দিয়ে রোলার করা হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, অনিয়মের বিষয়টি এলজিইডি দিনাজপুর এক্সেনকে অবগত করা হলেও অদ্যাবধি কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
ইত্তেফাক/এএন
