মেহেরপুরের গাংনীতে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রিতে অনিয়মের অপরাধে দুই জনের ডিলারশিপ বাতিল করেছে জেলা খাদ্য অফিস। মেহেরপুর জেলার ১৮টি ইউনিয়নে চাল দেয়া শুরু করে জেলা খাদ্য বিভাগ। চাল দেওয়ার জন্য ১৮ জন ডিলারও নিয়োগ করা হয়েছে। এই চাল বিতরণ নিয়ে নানা অনিয়ম শুরু করেছে ডিলাররা।
জেলা খাদ্য অফিসের ভাষ্য, এক মাসের চাল দিয়ে কার্ডে দুই মাসের স্বাক্ষর করার অনিয়মে গত বৃহস্পতিবার গাংনী উপজেলার সাহারবাটি ইউনিয়নের ডিলার জিয়াউল হক এবং কিছুদিন আগে ষোলটাকা ইউনিয়নের ডিলার আনোয়ার হোসেন পাশার ডিলারশিপ বাতিল করেছে জেলা খাদ্য বিভাগ।
দুটি ইউনিয়নের মধ্যে সাহারবাটি ইউনিয়নে ২৭২ জন এবং ষোলটাকা ইউনিয়নে ২৮৮ জন এই কার্ডের সুবিধা পেয়েছেন।
সাহারবাটি গ্রামের অনীল সাহা নামের এক কার্ডধারী অভিযোগ করে বলেন, গত ২২ অক্টোবর সাহারবাটি ইউনিয়নের ডিলার জিয়াউলের কাছে চাল নিতে গিয়ে দুই মাসের জন্য ৬০০ টাকা দেয়া হয়। কিন্তু সে কার্ডে দুই মাসের টিপসহি নিয়ে নেন এবং ৩০০ টাকা ফেরত দিয়ে এক মাসের ৩০ কেজি চাল দেন। অথচ গত মাসে আমি চাল পাইনি।
সাহারবাটি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বলেন, ডিলার জিয়াউল হক কখন কোথায় থেকে চাল দিতেন তা পরিষদের কেউ জানতেন না। কখনও পরিষদের কারোর সাথে সমন্বয় করতেন না।
জেলা খাদ্য কর্মকর্তা ওয়াহেদুজ্জামান বলেন, দুটি ইউনিয়ন থেকে ডিলারদের বিরুদ্ধে সেপ্টেম্বর মাসের চাল না দিয়ে কার্ডে স্বাক্ষর করার অভিযোগ উঠে। পরে সত্যতা পাওয়া গেলে তাদের ডিলারশিপ বাতিল করা হয়। তিনি আরও বলেন, চাল বিক্রিতে অনিয়ম পেলেই তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ইত্তেফাক/এমআর/আরএ
