হত্যাকাণ্ডের এক সপ্তাহ পর মনিরা সরকার চুষনী (১৮) নামে এক কলেজ ছাত্রীর লাশ মাটির নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। গত রবিবার রাতে শিবপুর থানা পুলিশ শিবপুর উপজেলার শেরপুর গ্রাম থেকে এ লাশ উদ্ধার করে। প্রেমঘটিত সম্পর্কের কারণে তার আত্মীয়-স্বজন তাকে হত্যা করে মাটির নিচে পুঁতে রাখে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে পুলিশ বাদী হয়ে শিবপুর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানিয়েছে, একই গ্রামের মো. খোরশেদ আলমের কন্যা নরসিংদীর ইম্পেরিয়াল কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী মনিরা সরকার ওরফে চুষনীর সঙ্গে একই গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদ মিয়ার পুত্র পাওয়ারলুম শ্রমিক নোবেল মিয়ার প্রেম ছিল। মনিরা সরকারের পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজন নোবেলের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিন্ন করতে নির্যাতন চালিয়ে তাকে হত্যা করে।
জানা গেছে, গত ২৪ অক্টোবর রাতে এই অসম প্রেমের ঘটনা নিয়ে মনিরা সরকারের অভিভাবকরা তাকে মারধর করে হত্যা করে। ঘটনা ধামা-চাপা দিতে মনিরার লাশ আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়। পরে জমিতে পুঁতে রাখে তারা। বিষয়টি নিয়ে জনমনে সন্দেহের সৃষ্টি হলে জিজ্ঞাসাবাদে মনিরার বড় বোন শিক্ষিকা খাদিজা আক্তার স্বীকার করেন। এ ঘটনায় পিতা খোরশেদ আলম ও বড়ভাই সোহেলকে গ্রেফতার করা হয়।
নরসিংদী পুলিশ সুপার আমেনা বেগম (বিপিএম) সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর, দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ই্ত্তেফাক/এমআই
