ভাসান চরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরের প্রক্রিয়া জানতে চায় জাতিসংঘ

আপডেট : ২৬ মার্চ ২০১৯, ০১:০১

ভাসান চরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরের প্রক্রিয়া জানতে চায় জাতিসংঘ। গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশে জাতিসংঘ কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে ভাসান চরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরে বাংলাদেশের পরিকল্পনার প্রশংসা করা হয়েছে। তবে সেখানে রোহিঙ্গাদের থাকার পরিবেশ, মৌলিক অধিকার ও সেবা কেমন হবে সে বিষয়ে জানতে চায় সংস্থাটি। একইসঙ্গে সেখানে জাতিসংঘ ও এর অংশীদারদের প্রবেশাধিকারের বিষয়টিও স্পষ্ট করতে বলেছে তারা।

ভাসান চরে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে জাতিসংঘ গঠনমূলকভাবে কাজ করতে আগ্রহী জানিয়ে সংস্থাটি বলেছে, রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরের বিষয়টি স্বেচ্ছা প্রণোদিত হতে হবে। স্থানান্তর সংক্রান্ত সব কিছু রোহিঙ্গাদের অবহিত করতে হবে। যাতে তারা নিজেদের স্বাধীন মতো সিদ্ধান্ত নিতে পারে। বর্তমানে বাংলাদেশে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। এর মধ্যে ১ লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসান চরে স্থানান্তর করতে চায় বাংলাদেশ। এদিকে বাংলাদেশ সরকারের একজন মন্ত্রীর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলেছে, ভাসান চরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরে বাংলাদেশের কোনো তাড়াহুড়া নেই।

রোহিঙ্গাদের তহবিলের অপচয়

হচ্ছে না : ইউএনএইচসিআর

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য আসা তহবিলের অর্থ অপচয় হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) আঞ্চলিক প্রতিনিধি খালেদ খলিফা। গতকাল সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

তিনি জানান, রোহিঙ্গাদের জন্য জয়েন্ট রেসপন্স প্লানের (জেআরপি) আওতায় চলতি বছরে ৯২০ মিলিয়ন ডলার প্রয়োজন; কিন্তু এই অর্থের মাত্র ১৪ শতাংশ পাওয়া গেছে। বাকি অর্থ দেওয়ার জন্য সংস্থার তালিকাভুক্ত দেশগুলোর প্রতি অনুরোধ জানানো হবে। তিনি আশা করেন যে, এ বছর চাহিদা অনুযায়ী পুরো তহবিল পাওয়া সম্ভব হবে।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি অভিযোগ ওঠে যে, এনজিওরা রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশে আনা ত্রাণ সাহায্যের প্রায় ৭৫ ভাগই নিজেদের স্বার্থে খরচ করেছে। প্রায় ১৫০ কোটি টাকা ছয় মাসে হোটেলের বিল বাবদ ব্যয় করা হয়েছে।