নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত বাসাইল পৌরবাসী

আপডেট : ০১ নভেম্বর ২০১৬, ০১:৫৪
ভাঙা রাস্তাঘাট, পরিবহন শ্রমিকদের ইচ্ছামতো ভাড়া আদায় আর সামান্য বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতাসহ বিভিন্ন সমস্যায় নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত বাসাইল পৌরবাসী। পৌরবাসীর এমন দুর্ভোগের বিষয় নিয়ে উপজেলা সমন্বয় কমিটিসহ বিভিন্ন ফোরামে আলোচনা হলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না।
 
বাসাইল-কাঞ্চনপুর রোডে হাই স্কুলের দক্ষিণ পাশে ও প্রশিকা অফিসের সামনে, পুরাতন সিনেমা হল রোডে, পল্লী বিদ্যুত্ অফিসের সামনে, বাসাইল পশ্চিমপাড়া রোড, পশ্চিম-উত্তরপাড়া রোড, বাসাইল-কলিয়া রোডে নতুন স্ট্যান্ড থেকে উত্তরপাড়া পর্যন্ত সড়কের অন্তত আটটি স্থানসহ পৌরসভার কাঁচা সড়কগুলোও বিভিন্ন স্থানে ভেঙে গেছে। তাছাড়া  পৌরসভার চারুবাগ মার্কেটের সামনে, উপজেলা রোডের ছয়তলা মার্কেটের সামনে, উপজেলা পরিষদ ও হাসপাতালের প্রবেশ পথ, হাইস্কুল রোডে গোরস্থানের সামনে, বাজার রোডে জনতা মার্কেটের সামনে, বাজারে প্রবেশপথ, বাসস্ট্যান্ডের জিরো পয়েন্টে, সিএনজি স্টান্ড সংলগ্ন ওয়াল্টন শোরুমের সামনে, শ্মশানঘাট ও এর পার্শ্ববর্তী একটি শিশু স্কুলের সামনে, যাত্রী ছাউনির সামনের রাস্তাসহ পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে সামান্য বৃষ্টিতেই জমে যায় হাঁটু পানি। জমে থাকা পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সড়ক ভেঙে পানি বের হয়ে যায়। রাস্তায় জমে থাকা পানিতে সাইড নিতে সিএনজি বা অটোরিকশা ভ্যানে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। জলাবদ্ধতা থেকে রেহাই পেতে সিএনজি, অটোরিকশা ভ্যান, আর টেম্পুর চালকরা রাস্তার মাঝামাঝি এসব যান দাঁড় করানোয় প্রতিনিয়ত যানজট লেগে থাকে।
 
জলাবদ্ধতা দূর করতে হাট-বাজার, রাস্তা-ঘাটসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে ড্রেনেজ ব্যবস্থা থাকে। কিন্তু বাসাইলের পৌর এলাকার এসব স্থানে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিনিয়ত জনসাধারণকে এসব সড়ক দিয়ে চলাচলের সময় পড়তে হয় চরম ভোগান্তিতে। বিভিন্ন সময়ে বাসাইলবাসী এই সমস্যাগুলো কর্তৃপক্ষের নজরে আনার চেষ্টা করেও তেমন কোন সাড়া পায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
 
বাসাইল পৌরসভার মেয়র মজিবর রহমান জানান, বাসাইল নতুন পৌরসভা। এর সমস্যা অনেক। কিন্তু বাজেট কম, তাই ইচ্ছা থাকলেও টাকার অভাবে অনেক প্রয়োজনীয় কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়া তিনি বলেন, সময়মতো পৌর কর পরিশোধ না করায় উন্নয়ন কাজে বিঘ্ন ঘটে।
 
ইত্তেফাক/এএন