আগামী ২০২১ সালের মধ্যে বগুড়া জেলায় বাল্য বিবাহ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় বগুড়া শহরের জেলা পরিষদ মিলনায়তনে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক ও পুরোহিতদের (ঠাকুর) এক সমাবেশ জেলা রেজিস্টার হীরা লাল রায় এ ঘোষণা দেন।
বগুড়া জেলা হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন কল্যাণ সমিতির আয়োজনে সমাবেশে প্রধান অতিথি জেলা রেজিস্টার হীরা লাল রায় বলেন, সরকারি সমীক্ষায় দেখা গেছে, বগুড়া জেলায় বাল্য বিবাহের হার অনেক বেশি। এ জেলায় বাল্য বিবাহের হার বর্তমানে ৪৮ ভাগ হলেও অন্য জেলার তা মাত্র ১৩ ভাগ। বাল্য বিবাহের এই হার কমিয়ে আনতে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক ও পুরোহিতদের (ঠাকুর) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বাল্য বিবাহের সঙ্গে জড়িত থাকলে যে কাউকে ১হাজার টাকা জরিমানা, এক মাসের জেল, এমনকি উভয় দন্ডে দন্ডিত হতে পারেন। বাল্য বিবাহ বন্ধে জেলায় ভ্রাম্যমান আদালত ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে।
সংগঠনের সভাপতি অরুন কুমার সরকারের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক গৌরব চন্দ্র দাসের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি প্রদীপ ভট্টাচার্য্য শংকর, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দিলীপ কুমার দেব, সাবেক সভাপতি অমৃতলাল সাহা, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নিরঞ্জন কুমার সিংহ, বগুড়া পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তরুণ চক্রবর্তী, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সহ সভাপতি স্বপন কুমার চক্রবর্তী, অ্যাড. চন্দন কুমার চক্রবর্তী, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্য গোপাল তেওয়ারী, পুরোহিত বিধান ভট্টাচার্য্য, হিমাংশু চক্রবর্তী, গোপাল ভাদুরি। এর আগে জেলা রেজিস্টার হীরালাল রায় সকল পুরোহিতকে নিবন্ধন ছাড়া বিবাহের আয়োজন এবং বাল্য বিবাহ না পড়ানোর জন্য হাত তুলে শপথ করান।
