রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী পৌর এলাকায় বিদেশি পিস্তল ও জিহাদী বই সহ দুই জামাত নেতা গ্রেফতার মামলায় বাঘা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা জামাতের আমির মওলানা জিন্নাত আলীকে আসামি হয়েছেন।
মঙ্গলবার সকালে বাঘা থানা পুলিশের পক্ষ থেকে এ মামলাটি দায়ের করা হয়। এ মামলায় এজাহার ভুক্ত মোট ১৩ জন আসামী সহ অগ্যাত নামা আরো ১০-১২জন অভিযুক্ত রয়েছে বলে থানা পুলিশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়।
সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত ৯ টার সময় উপজেলার আড়ানী পৌর এলাকার বাসিন্দা ও পৌর জামাতের ইউনিট সভাপতি বেলাল হোসেনের বাড়িতে গোপন বৈঠক করছিল পৌর এবং উপজেলা জামাতের কতিপয় নেতা-কর্মীরা।
এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সেখানে হানা দেয় বাঘা থানা পুলিশ। এরপর জামাতের সুরা সদস্য বেলাল হোসেন ও আড়ানী পৌর জামায়াতের আমির অধ্যাপক মতিউর আজম জিঞ্জুর কে বিদেশি পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি, একটি ম্যাগজিন ও জিহাদী বইসহ গ্রেফতার করেন তারা।
তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে রক্ষা পান উপজেলা জামাতের আমির ও বাঘা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানসহ ২০১৪ সালে পুলিশের হাত থেকে অস্ত্র কেড়েনেয়া ও মারপিট মামলার ১ নং আসামী এবং পৌর জামাতের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লা আল মামুন নহু।
বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মাহমুদ জানান, সোমবার রাতে বাঘা জিন্নাত আলী-সহ ওই বাড়িতে ২৫-৩০ জন জামাতের নেতা-কর্মী বৈঠক করছিল। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানা পুলিশ সেখানে অভিযান চালালে দু’জন ব্যাতিত সবাই পালাতে সক্ষম হয়। পরে তাদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও জিহাদী বই উদ্ধার করা হয়।
মঙ্গলবার দুপুরে আটক দুই জমাত নেতাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে ওসি উল্লেখ করেন।
ইত্তেফাক/এমএইচ
