পটুয়াখালী সদর উপজেলার কালিকাপুর ও আউলিয়াপুর ইউনিয়নের মাঝে বাদুরা এলাকার মুচির খালে ব্রিজ নির্মাণ পাঁচ বছরেও শেষ হয়নি। ঠিকাদার মাঝ পথে এসে কাজ ফেলে রাখায় নির্মাণে এ দীর্ঘসূত্রতা সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় প্রতিদিন ওই দুই ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকার হাজারো লোকজনকে পারাপার হতে হচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে।
জেলা সদরের সঙ্গে আউলিয়াপুর ইউনিয়নের সহজ সড়ক যোগাযোগের সুবিধার্থে বাদুরা জিসি সড়কের ৫০৬০ মিটার চেইনেজে মুচির খালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ ৩০ মিটার গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। দরপত্র আহ্বান করে ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসে মেসার্স সুমি এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ৪০ ভাগ কাজ করে ৬১ লাখ টাকা বিল নিয়ে ফেলে রাখে। এ অবস্থায় প্রায় তিন বছর ব্রিজ নির্মাণ কাজ বন্ধ ছিল। স্থানীয় লোকজন বাধ্য হয়ে নিজেদের উদ্যোগে সেখানে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে ঝুঁকি নিয়ে খাল পারাপার হচ্ছে।
এলজিইডি পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সালেহ মো. হানিফ জানান, ঠিকাদার কাজ ফেলে রাখায় নির্মাণে বিলম্ব হয়েছে।
যথাসময়ে ব্রিজের নির্মাণ কাজ শেষ না করায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স সুমি এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে নিয়মানুযায়ী জরিমানাসহ কাজ বাতিল করা হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় ৫৫ লাখ ৪০ হাজার ২৪ টাকা চুক্তিতে মেসার্স মহিউদ্দিন আহমেদ নামে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। সে অনুযায়ী চলতি বছরের ১৯ মে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। দ্রুত কাজ এগিয়ে চলছে। চলতি বছরের মধ্যে কাজ সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ইত্তেফাক/এএন
