যশোরের চৌগাছায় জেএসসি পরীক্ষায় নকলে সহযোগিতা করার অপরাধে কেন্দ্র সচিবসহ তিন শিক্ষককে বরখাস্ত এবং অপর এক শিক্ষককে আটক করা হয়েছে। রবিবার পরীক্ষা চলাকালে যশোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) পারভেজ হাসান শিক্ষকদের বরখাস্ত ও আটকের নির্দেশ দেন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পারভেজ হাসান জানান, তিনি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন জেএসসি পরীক্ষার চৌগাছা ছারা পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে নকল হচ্ছে। এ সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার বেলা ১১ টার দিকে তিনি ঝটিকাবেগে ওই কেন্দ্রে হাজির হন। এসময় তিনি চৌগাছা হাজী সরদার মত্তোজ আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষক নাজমুল হাসান নান্নুকে নকলসহ হাতেনাতে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
একই সময় তিনি ওই কেন্দ্রে নকল সরবরাহ করার অভিযোগে কেন্দ্র সচিব লুৎফুন্নেছা মোয়াজ্জেদা, হাজী সরদার মত্তোজ আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক গোলাম রব্বানী ও মনিরুল ইসলামকে বরখাস্ত করেন।
যশোর মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধবচন্দ্র রুদ্র বলেন, তাদেরকে পরীক্ষা সংক্রান্ত কর্তব্য থেকে আজীবনের জন্য অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার নার্গিস পারভীন বলেন, শিক্ষক নাজমুল হাসান নান্নুকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।
শিক্ষক আটকের ব্যাপারে জানতে চাইলে চৌগাছা থানার ওসি এম মসিউর রহমান নাজমুল হাসানের আটকের সত্যতা স্বীকার করেন।
উল্লেখ্য, হাজী সরদার মত্তোজ আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন চৌগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম হাবিবুর রহমান তার বাবার নামে। আটক শিক্ষক নাজমুল হাসান তার ভাগনে।
ইত্তেফাক/কেকে
