মেহেরপুরে স্ত্রী হত্যা মামলায় মাসুদ রানা ওরফে ইঞ্জিল নামে এক ব্যাক্তির ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো: রবিউল হাসান।
দণ্ডপ্রাপ্ত মাসুদ রানা জেলার গাংনী উপজেলার বাঁশবাড়িয়া গ্রামের আলা বক্সের ছেলে।
সোমবার বেলা দেড়টার দিকে এক জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় দেন তিনি। এসময় আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, গাংনী উপজেলার বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মাসুদ রানার সাথে ১৬/১৭ বছর পূর্বে একই উপজেলার সাহারবাটি গ্রামের সেলিনা খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় যৌতুক বাবদ ২ লাখ টাকা দেয়া হয় মাসুদ রানাকে।
২০১৪ সালের ৩০ মে আবারো ১০ হাজার টাকা দাবি করে মাসুদ রানা। এসময় স্ত্রী সেলিনা খাতুন প্রতিবাদ করলে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ড হয়। এক পর্যায়ে মাসুদ রানা ধারালো হাঁসুয়া দিয়ে তার স্ত্রীর গলায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই মারা যান সেলিনা খাতুন। পরদিন সেলিনা খাতুনের মা কহিনুর বেগম বাদি হয়ে মাসুদ রানার বিরুদ্ধে গাংনী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার প্রাথমিক তদন্ত শেষ তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলায় ১২ জন সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর পল্লব ভট্টাচার্য এবং আসামী পক্ষে কামরুল হাসান আইনজীবীর দায়িত্ব পালন করেন।
মামলার বাদী নিহত সেলিনা খাতুনের মা কহিনুর বেগম মামলায় রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, আজ আমার মেয়ের আত্মা শান্তি পাবে। আমি বিচার দাবি করেছিলাম, বিচার পেয়েছি। এখন এ আদেশ কার্যকর করার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানাচ্ছি।
ইত্তেফাক/এমএইচ
