চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ওষুধ ফার্মেসিগুলোতে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার সন্ধ্যায় এই অভিযানে উপজেলা পরিষদ গেইটে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং এবং সরকার জায়গার উপর নির্মিত বেশ কয়েকটি দোকানও উচ্ছেদ করা হয়েছে।
বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী মোহাম্মদ চাহেল তস্তুরি এবং ওষুধ প্রশাসনের কর্মকর্তারা বাঁশখালীতে অভিযান চালায়। অভিযানে উপজেলা সদরের মেডিকেল গেইট ও উপজেলা পরিষদ গেইট সংলগ্ন বেশ কিছু ফার্মেসিকে ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এর মধ্যে বাঁশখালী ফার্মেসি মালিক সমিতির সভাপতি মৌলভী ছমুদুল হকের হোসাইন মেডিকোকে ১০ হাজার, আনোয়ার হোসেনের ইকবাল ফার্মেসীকে ১৫ হাজার, ফরিদুল আলমের জনতা ফার্মেসীকে ২০ হাজার এবং কামাল উদ্দিনের আকতার মেডিকোকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় ওই দোকানগুলো থেকে বেশ কিছু ভেজাল, মেয়াদ উত্তীর্ণ ও অনুমোদন বিহীন আরো লক্ষাধিক টাকা মুল্যের ওষুধ জব্দ করে তা উপজেলা পরিষদ মাঠে এনে অগ্নি সংযোগ করা হয়। চট্টগ্রাম জেলা ওষুধ প্রশাসনের তত্বাবধায়ক শফিকুর রহমান অভিযানে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে ছিলেন।
অভিযান চলাকালে বাঁশখালীর রাস্তাঘাট ফাঁকা এবং মুহূর্তের মধ্যে নিত্য যানজটের বাঁশখালী পৌর শহর যানজট মুক্ত হয়ে যায়। ইউএনও’র অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে ওষুধের দোকান বন্ধ করে অনেক ব্যবসায়ী এবং ফার্মেসী মালিকরা পালিয়ে যায়।
এসময় ব্যবসায়ীদের মাঝে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই ভেজাল, মেয়াদ উত্তীর্ণ এবং সরকারি ওষুধ সরিয়ে ফেলতেও দেখা যায়। দীর্ঘ দিন পর বাঁশখালীতে অভিযান পরিচালনা করায় স্থানীয় জনগন উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। একই সাথে তারা আগামীতে বাঁশখালীর অনুমোদন বিহীন ল্যাব ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টার গুলোর বিরুদ্ধেও অভিযান পরিচালিত করতে উপজেলা প্রশাসনের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
ইত্তেফাক/এমএইচ
