মানিকগঞ্জের একটি বাড়িতে তিনটি মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার ভোর ৪ টার দিকে সাটুরিয়া উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামে উত্তম বৈরাগীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটানায় পুলিশ হৃদয় নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে। তিনি চাঁদপুর জেলার রফিকুল ইসলামের ছেলে।
উত্তম বৈরাগীর মা খুশি মোহন বৈরাগী জানান, ভোর ৪ টার দিকে তিনি ভাঙচুরের শব্দ শুনে ঘর থেকে বের হন।তিনি বের হয়ে ৩/৪ জন লোককে তাদের বাড়ির ভেতরের মূর্তি ভাঙচুর করতে দেখেন। এ সময় তার চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে গেলে হামলাকারীরা পালাতে থাকে। এলাকাবাসীরা একজনকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
খুশি মোহন বৈরাগী জানান, তাদের মন্দিরে লক্ষ্মী মন্দিরের একটি হাত, নারায়ণ ঠাকুরের পুরো অংশ ও গৌর পাখির পুরো অংশ ভেঙ্গে ফেলেছে হামলাকারীরা।
IMG0
বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তাপস রাজবংশী জানান, এ ঘটনাটি পরিকল্পিত। গ্রিলের তালা ভেঙ্গে বাড়ির ভেতরে থাকা মন্দিরে তারা এ ঘটনাটি ঘটিয়েছে। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন ও দোষী ব্যক্তিদের দ্রুত শাস্তি দাবি করছি। আমরা আন্দোলনের দিকে যাব।
সাটুরিয়া থানার ওসি বলেন, ঘটনাস্থল থেকে আমরা একজনকে আটক করেছি। তার বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
জেলা প্রশাসক রাশিদা ফেরদৌস বলেন, জেলা ভাবমূর্তি নষ্ট করতে ঘটনাটি ঘটিয়েছে। দোষী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে সাজা দেয়া হবে।
ইত্তেফাক/কেকে
