ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে আকম্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২১ জনে দাঁড়িয়েছে। এতে শতাধিক লোক আহত হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। খবর বিবিসি ও ডেইলি মেইলের
জরুরি বিভাগের কর্মকর্তারা দুর্গতদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য বলেছেন। দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বন্যার্তদের জন্য দ্রুত ত্রাণ সরবরাহের নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই সঙ্গে তিনি তাদেরকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দানেরও নির্দেশ দিয়েছেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী এ ভয়াবহ বন্যার জন্য জলবায়ুর পরিবর্তনকে দায়ী করেছেন। উদ্ধারকর্মীরা জানান, দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর শিরাজে ১৯ জন প্রাণ হারিয়েছে। বাকি দু’জন পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ কেরমানশাহ ও লোরেস্তানে মারা যান। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এতে কমপক্ষে ১১০ জন লোক আহত হয়েছে। দেশটির আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, সামনে আরো ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। সে কারণে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে। রাষ্ট্রের সংকট ব্যবস্থাপনা কমিটি নাগরিকদের এ ব্যাপারে সতর্ক থাকার জন্য তাদের মোবাইল ফোনে ম্যাসেজ পাঠিয়েছেন। সতর্ক বার্তায় বলা হয়েছে, আপনারা জানমালের নিরাপত্তায় সাবধানে থাকবেন এবং পরবর্তী নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করবেন। এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসা ফুটেজে দেখা গেছে কর্দমাক্ত পানির তীব্র স্রোত শিরাজ শহরের মধ্য দিয়ে বয়ে যাচ্ছে, লোকজন ল্যাম্পপোস্ট আঁঁকড়ে ধরে ও গাড়ির ছাদে উঠে আত্মরক্ষার চেষ্টা করছেন। শিরাজেই সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। আকস্মিক এ বন্যার ধাক্কায় শহরটির কয়েকশ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে।
