মোরেলগঞ্জ উপজেলার এবি বাঁশবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ক্লাস করছে। সংস্কার আর শ্রেণিকক্ষের অভাবে দীর্ঘদিন যাবত্ দৈন্যদশায় পড়ে আছে ভবনটি।
১৯৭৩ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ১৯৯৮-৯৯ অর্থবছরে ৫লাখ ৯ হাজার টাকা ব্যয়ে বিদ্যালয়টি নির্মিত হয়। কিন্তু বছর ঘুরতে না ঘুরতেই পলেস্তরা খসে পড়তে শুরু করে। বর্তমানে বিদ্যালয়টি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। যে কোনো মুহূর্তে ধসে পড়তে পারে। সামনের বারান্দার একটি পিলার পুরোটাই ভেঙে গেছে।
অপর পিলারগুলো যাই যাই অবস্থা। পলেস্তরা খসে পড়ে সব জায়গার রড দৃশ্যমান। টয়লেট অনেক আগেই ব্যবহারের অনুপোযোগী হয়ে পড়ে আছে। বিদ্যালয়ে রয়েছে ১১৪ জন শিক্ষার্থী। পরিত্যক্ত ঘোষণার পর চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ক্লাস করছে।
প্রধান শিক্ষিকা দিলরুবা খানম জানান, স্থানীয় কিছু লোকজন ও শিক্ষকদের অর্থে বিদ্যালয়ের মাঠে বাঁশের খুঁটি ও টিনের ছাপড়া দিয়ে দুটি ক্লাশরুম তৈরি করা হয়। সেখানে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেওয়া হয়। বৃষ্টির সময় পানির ঝাপটায় ক্লাশ করা সম্ভব হয় না। তখন বাধ্য হয়ে ক্লাশ ছুটি দিতে হয়।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. আনিছুর রহমান জানান, বিদ্যালয় ভবনটি আসলেই খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। ভবন নির্মাণের জন্য আলাদাভাবে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সুপারিশ নিয়ে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
ইত্তেফাক/এএন
