মুফতি হান্নানসহ আসামিদের আপিল কার্যতালিকায়

আপডেট : ১৪ নভেম্বর ২০১৬, ১৯:১৭
ফাঁসির রায়ের বিরুদ্ধে হুজি নেতা মুফতি আব্দুল হান্নানসহ অপর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আপিল কার্যতালিকায় অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। আপিল বিভাগের দৈনন্দিন কার্যতালিকার এক নম্বর ক্রমিকে আপিলটি রয়েছে। প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই বিষয়ে আদেশের জন্য দিন ধার্য রেখেছেন।
 
প্রসঙ্গত তৎকালীন ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর উপর গ্রেনেড হামলা মামলায় হুজি নেতা মুফতি আব্দুল হান্নানসহ তিন আসামিকে দেয়া ফাঁসির রায় বহাল রাখে হাইকোর্ট। বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের আপিল খারিজ করে দিয়ে গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আমির হোসেনের ডিভিশন বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।
 
মুফতি হান্নান ছাড়াও শরীফ শাহেদুল আলম ওরফে বিপুল (৪০) ও দেলোয়ার হোসেন ওরফে রিপনকে (৩৬) দেয়া মৃত্যুদ- বহাল রাখে উচ্চ আদালত। একইসঙ্গে মুফতি হান্নানের ভাই মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান ওরফে মফিজ ওরফে অভি (৩২) ও মুফতি মইনউদ্দিন ওরফে আবু জান্দাল ওরফে মাসুম বিল্লাহ ওরফে খাজাকে (৩১) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায়ও বহাল রাখে আদালত। দ-প্রাপ্তরা সকলেই কারাগারে। পরে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে দণ্ডপ্রাপ্তরা আপিল করেন। ওই আপিল অ্যাডমিশনের জন্য কার্যতালিকায় এসেছে বলে জানান মুফতি হান্নানের আইনজীবী এডভোকেট মোহাম্মদ আলী।
 
২০০৪ সালের ২১ মে সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার জিয়ারতে গিয়েছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরী। দরগাহ প্রাঙ্গণে জুমার নামাজ শেষে ফেরার পথে তাকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এতে ঘটনাস্থলেই পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক কামাল উদ্দিন নিহত হন। এছাড়া বেশ কয়েকজন হতাহত হলেও প্রাণে বেঁচে যান তিনি। এ ঘটনায় দায়েরকৃত হত্যা মামলায় ২০০৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর সিলেটের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল তিন জনকে মৃত্যুদণ্ড ও দু’জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে রায় দেয়। 
 
ইত্তেফাক/এমএইচ