ভোটের দিন ঘনিয়ে আসায় বেগমগঞ্জে প্রচারণা জমে উঠেছে। এখানে আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনীত প্রার্থীর সাথে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে এখন আলোচনা-সমালোচনা চলছে ভোটার ও সাধারণ মানুষের মধ্যে। ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪/৫ জন করে প্রার্থী থাকলেও তা সীমিত হয়ে আসছে ভোটারদের কাছে।
বেগমগঞ্জে উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৩১ মার্চ। উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও চৌমুহনী পৌরসভাসহ ১৪৬টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনীত প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক বাদশা। একই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ভিপি মোহাম্মদ উল্যা।
এদিকে জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মহিউদ্দিন টোকন জানান, ভিপি মোহাম্মদ উল্যা বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করার জন্য জেলা কমিটি কেন্দ্রীয় কমিটিতে সুপারিশ পাঠিয়েছে।
এদিকে, ভোটের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে উপজেলার সর্বত্র আলোচনা-সমালোচনা তত বাড়ছে। প্রার্থীদের পক্ষে মাইকিং, পোস্টার ও ব্যানারের সংখ্যা বাড়ছে। আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ইতোমধ্যে কেন্দ্র কমিটি গঠন করা হয়েছে। বাড়ি-বাড়ি ঘরে-ঘরে গিয়ে নেতা-কর্মীরা নিজেদের প্রার্থীর পক্ষে ভোট প্রার্থনা করছে। ভোটাররাও কাকে ভোট দিলে এলাকার উন্নয়ন ও বঞ্চিত মানুষের স্বার্থ আদায় হবে, সেই চিন্তা করছে। অপরদিকে ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন প্রার্থী থাকলেও চৌমুহনী পৌর আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি আবু বকর ছিদ্দিক টিপুর সাথে উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক নূর হোসেন মাসুদের সাথে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। দুইজনই ভোটারদের নিকট পরিচিত মুখ। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রার্থী থাকলেও সবার জনপ্রিয়তা প্রায় কাছাকাছি রয়েছে। তারাও বসে নেই। সমান তালে দিনে-রাতে এলাকায় এলাকায় চষে বেড়াচ্ছেন। পোস্টারিং মাইকিং চলছে সমানতালে।
বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমীন জানান, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণূভাবে ভোট গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় যা যা করার সব ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভোটগ্রহণের কাজে নিয়োজিত প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
