নতুন করে মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর অবস্থানে থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম আঞ্চলিক টাস্কফোর্স সভায় এ নির্দেশনা দিয়েছেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. আব্দুল মান্নান। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে রাখাইনের কিছু কিছু গ্রামে আবারো নতুন করে অত্যাচার-নির্যাতন শুরু করেছে মিয়ানমার সরকার। সেখানকার নির্যাতিত রোহিঙ্গা ও রাখাইনের অধিবাসীরা এখানে অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে। সুযোগ পেলেই তারা কক্সবাজার, বান্দরবান ও অন্যান্য এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে পড়বে। মিয়ানমারের কোনো নাগরিক বা রোহিঙ্গাও যাতে নতুন করে এদেশে অনুপ্রবেশ করতে না পারে সেজন্য বিজিবিসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর অবস্থানে থাকতে হবে। সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে আসা মাদক, অস্ত্রের চোরাচালান ও তেল পাচার রোধে সড়ক পথের পাশাপাশি নৌপথে টহল অব্যাহত রাখাসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে বিজিবি, কোস্টগার্ড ও অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে কঠোর নজরদারি দিতে হবে।
তিনি বলেন, সরকার ভর্তুকি দিয়ে বিদেশ থেকে জ্বালানি তেল আমদানি করছে। পেট্রোল পাম্প থেকে ডিজেলসহ অন্যান্য জালানি তেল যাতে পাচার না হয় সে বিষয়ে সীমান্তবর্তী জেলা প্রশাসকগণকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। ফিলিং স্টেশনের মালিকদের সাথে এ ব্যাপারে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে।
সভায় পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, মাদক রোধে পুলিশের পক্ষ থেকে থাকবে জিরো টলারেন্স। অস্ত্র উদ্ধার, চোরাচালানরোধ, জঙ্গি-সন্ত্রাসী ও চিহ্নিত অপরাধীদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ইদানীং সড়ক দুর্ঘটনা সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ জন্য গাড়ির চালক-হেলপার এককভাবে দায়ী নয়। সড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশকে আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
