কুয়াশা আর শিশিরে ভেজা একটি নবজাতক। কতক্ষণ ধরে পড়ে ছিল ধান ক্ষেতে তারও ঠিক নেই। বেঁচে থাকার কথাও না। কিন্তু তারপরও বেঁচে আছে। জেলার মেলান্দহে কাঙ্গালকূর্শা গ্রামের ধান ক্ষেত থেকে গতকাল রবিবার উদ্ধার হওয়া নবজাতক ছেলেটি শুধু বেঁচে নয় সুস্থও রয়েছে। নবজাতকটি বর্তমানে ওই গ্রামের শাহ আলীর স্ত্রী পাঁচ সন্তানের মা আনোয়ারা বেগমের তত্ত্বাবধানে বেশ ভালোই আছে। একেই বলে রাখে আল্লাহ মারে কে!
জানা যায়, উপজেলার জামালপুর-দেওয়ানগঞ্জ বিশ্বরোড পালপাড়া ব্রিজের পার্শ্বে একটি ধান ক্ষেতে কাপড় দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় নবজাতকটি কে বা কারা ফেলে রেখে চলে যায়। ওখান থেকে যাওয়ার সময় এক ভ্যান চালক নবজাতকের কান্নার শব্দ শুনে খুঁজতে থাকেন। হঠাত্ দেখেন একটি কাপড় দিয়ে মোড়ানো কুয়াশায় ভেজা একটি নবজাতক কাঁদছে। এ অবস্থা দেখে ভ্যান চালক চিত্কার দিতে থাকেন। এসময় আশেপাশের লোকজন ছুটে আসে। পরে নবজাতককে উদ্ধার করে হোমিও চিকিত্সা দিয়ে বাড়িতে নিয়ে যান তিনি।
শাহ আলী দম্পত্তি বলেন, আল্লাহ আমাকে পাঁচটি ছেলে মেয়ে দান করেছে। এই শিশুটিকেও আমি নিজের সন্তানের মতো মানুষ করতে চাই।
ইত্তেফাক/এএন
