সৈয়দপুর জাতীয় পার্টি অফিসে মারামারি, পৌর কমিটির আহ্বায়ক আহত

আপডেট : ২৭ মার্চ ২০১৯, ০০:২৫

সৈয়দপুর উপজেলা জাতীয় পাার্টির (এরশাদ) অফিসে মঙ্গলবার নেতা-কর্মীদের মধ্যে মারামারির ঘটনায় পৌর কমিটির আহ্বায়ক কাজী ময়নুল ইসলাম আহত হয়েছেন। যদিও ঘটনা নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে উভয়পক্ষ।

জানা যায়, নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আহসান আদেলুর রহমান গত ২৫ মার্চ সৈয়দপুর বিমানবন্দরে এসে পৌঁছুলে স্থানীয় নেতা-কর্মীরা তার সঙ্গে দেখা করেন। এ সময় ভিআইপি লাউঞ্জে পৌর কমিটির আহ্বায়ক কাজী ময়নুল ইসলাম তার সঙ্গে একান্তে বৈঠক করেন। বৈঠক থেকে বের হয়ে আসার পর মো. আলতাফ হোসেন, শামসুদ্দিন অরুন ও জিএম কবির মিঠুসহ পার্টির অন্যান্য নেতা-কর্মীরা কাজী ময়নুলকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে বলে অভিযোগ ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ময়নুল কাজী গতকাল দুপুরে শহরের শেরেবাংলা রোডস্থ পার্টি অফিসে এসে জাপা নেতা ঠিকাদার জয়নাল আবেদীনের কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ করেন। এ সময় তাকে আলতাফ হোসেন, অরুন ও মিঠু জাপা অফিস থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এ সময় কাজী ময়নুল প্রতিপক্ষের আঘাতে আহত হয়ে সৈয়দপুর হাসপাতালে ভর্তি হন।

এ ব্যাপারে আলতাফ হোসেন বলেন, কাজী ময়নুল জাতীয় পার্টির কেউ না। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তার নেতৃত্বে বর্তমান এমপি আদেলুর রহমান আদেলের গাড়িবহরে হামলা চালানো হয়। হামলায় এমপি’র ছোটভাই আদনানের হাত ভেঙে যায় এবং আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। সে কারণে এমপি’র সঙ্গে দেখা করা বা পার্টি অফিসে আসার কোনো অধিকার তার নেই। তাই আজকে পার্টি অফিসে আসলে তাকে সসম্মানে বের হয়ে যেতে বলা হয়। কিন্তু তিনি নিজেই পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে ঝগড়ায় লিপ্ত হন।

জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শওকত চৌধুরী বলেন, আমি পার্টির কেউ না। তারা প্রত্যেকেই নিজেদের নেতা মনে করেন, তাই কোনো চেইন অব কমান্ড না থাকায় এমনটা হয়েছে।