ঢাকার আশুলিয়ার জিরাবো বাজারে কালার ম্যাচ ফ্যাক্টরীতে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধদের মধ্যে আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকাল নয়টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মাহমুদা আক্তারের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে আশুলিয়ার এই আগ্নিকাণ্ডে তিনজনের মৃত্যু হলো। এর আগে ঘটনার দিন মঙ্গলবার রাতে আঁখি আক্তার এবং গত বৃহস্পতিবার রোকেয়া আক্তার রকি নামে দুই দগ্ধ শ্রমিক চিকিত্সাধীন অবস্থা মৃত্যু হয়।
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আবাসিক সার্জন ডা. পার্থ শংকর দাস জানান, মাহমুদার শরীরের ৩০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। তার শ্বাসনালিও পুড়ে গেছে।
নিহতের স্বামী আজিজুল ইসলাম জানান, মাহমুদার গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জ সদরের ফকিরহাট গ্রামে। তারা স্বামী-স্ত্রী আশুলিয়া জিরাবো এলাকায় থাকতেন। একমাত্র মেয়ে তন্নী গ্রামের বাড়িতে তার নানীর কাছে থাকে। সেখানে স্থানীয় একটি স্কুলে লেখাপড়া করে। আজিজুল জানান, ৩-৪ মাস আগে মাহমুদা ওই কারখানায় কাজ নেয়। বেতনের টাকা দিয়ে নিজে চলতো এবং মেয়ের লেখাপড়ার খরচও পাঠাতো।
গত ২২ নভেম্বর আশুলিয়ার জিরাবো বাজারে কালার ম্যাচ ফ্যাক্টরিতে আগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ২৬ জন নারী কর্মী দগ্ধ হন। এদের মধ্যে মুক্তি খাতুন, সিমু আক্তার, ফারজানা আক্তার, ফাতেমা, সখিনা আক্তার, জাকিয়া, জান্নাতি আক্তার, সেনিয়া আক্তার-১, লাভলী আক্তার, সেনিয়া আক্তার-২, হেলেনা আক্তার শরীফা, নাজমা আক্তার, ইসরাত জাহান খাদিজা, নেহারা বেগম ও হালিমা আক্তার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে এখনও চিকিত্সাধীন।
ইত্তেফাক/এএম।
