বানারীপাড়ায় দীর্ঘ দিনেও সাঁকোর জায়গায় সেতু নির্মাণ হয়নি

আপডেট : ০৪ ডিসেম্বর ২০১৬, ০০:৫৯

বানারীপাড়ার গাভা-নরেরকাঠী গ্রামের জনসাধারণ দীর্ঘ দিন ধরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাঙা বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচল করছেন। স্বাধীনতার পর থেকে এই পর্যন্ত ওই এলাকার জনগন বরাবরই উন্নয়ন কর্মকান্ড থেকে বঞ্চিত হয়েছে। একটি সেতুর অভাবে হাট-বাজারগামী লোকজন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাসহ এলাকার লোকজন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাংগা বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন পারাপার হচ্ছে। উপজেলার পশ্চিম গাভা বধ্যভূমির সামনে গুরুত্বপূর্ন বাঁশের সাঁকোটি এখন জনসাধারনের মরন ফাঁদ হয়ে দাড়িয়েছে্। পূর্বে গাভা ও নরেরকাঠী গ্রাম দু’টি ঝালকাঠী সদর উপজেলায় অর্ন্তভূক্ত এবং অবহেলিত ছিল। তখন ওই এলাকায় উন্নয়নের তেমন কোন ছোঁয়া লাগেনি। নব্বই দশকের প্রথম দিকে গ্রাম দু’টির জনসাধারন প্রশাসনিক কাজের জন্য ঝালকাঠী সদরের চেয়ে পার্শ্তবর্তী বানারীপাড়া উপজেলায় অর্ন্তভূক্ত হওয়ার জন্য আন্দোলন করে। পরবর্তীতে গ্রাম দু’টি  বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলায় অর্ন্তভূক্ত করা হয়।

 
এলাবাসী জানান, যে আশা নিয়ে তারা বানারীপাড়ায় যোগ দেয় তাতেও কোন উন্নয়ন হয়নি। এখন ওই দু’গ্রামের বসতিদের অতি গুরুত্বপূর্ন দাবি একটি পুলের। এলাকাবাসী খালটির উপর নিজেদের উদ্যোগে বাঁশ দিয়ে সাঁকো নির্মান করেছে। ভোটের সময় প্রার্থীরা পশ্চিম গাভা বধ্যভূমির সামনে পুল করে দিবে বলে আশ্বাস দিলেও বাস্তবে এর প্রতিফলন ঘটেনি। তাই দীর্ঘদিনেও এলাকাবাসী যেই তিমিরে ছিল সেই তিমিরেই রয়ে গেছে।

ইত্তেফাক/এএন