জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৩২ সাক্ষীর সাক্ষ্য বাতিল করে পুনরায় সাক্ষ্য নিতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেম খালেদা জিয়ার আবেদন প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠিয়েছে হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার বিচারপতি ফরিদ আহমেদ ও বিচারপতি এ কে এম সাহিদুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ খালেদার আবেদন শুনতে বিব্রত প্রকাশ করে এই আদেশ দেয়।
আদালতে খালেদার পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন,ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল। দুদকের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান।
রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ এ কে এম মনিরুজ্জামান কবির।
পরে অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান বলেন, খালেদার আবেদন শুনতে হাইকোর্ট বেঞ্চের কনিষ্ঠ বিচারপতি বিব্রত প্রকাশ করায় আদালত বিষয়টি আবেদনের নথি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন।এখন প্রধান বিচারপতি খালেদার আবেদন শুনতে নতুন বেঞ্চে পাঠাবেন।
গত বৃহস্পতিবার চ্যারিটেবল মামলার রাষ্ট্রপক্ষের ৩২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য বাতিল করে পুনরায় নেয়ার জন্য বিচারিক আদালতে আবেদন করেন খালেদা জিয়া। ঐ আবেদনে বলা হয়, শপথের বিধান অনুযায়ী, এই সাক্ষীদের সাক্ষ্য নেয়া হয়নি। তাই এই সাক্ষ্য বাতিল করে নতুন সাক্ষ্য নেয়া হোক। কিন্তু বিশেষ জজ আদালত-৩ শুনানি শেষে এই আবেদন খারিজ করে দেন। এই খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে গত ৬ ডিসেম্বর হাইকোর্টে রিভিশন মামলা করেন খালেদা জিয়া। তার পক্ষে আইনজীবী জাকির হোসেন ভুঁইয়া হাইকোর্টের সংল্লিষ্ট শাখায় আবেদনটি দাখিল করেন।
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলাটি করে দুদক। মামলার তদন্ত শেষে তদন্ত কর্মকর্তা হারুন অর রশীদ ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি খালেদা জিয়াসহ চারজনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
ইত্তেফাক/এএসএস
