বর্ণাঢ্য আয়োজনে আংকারায় মহান বিজয় বিদস উদযাপন

আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর ২০১৬, ২২:২৩
বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান বিজয় দিবসের ৪৫তম বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে আংকারায়। সকালে দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার পরে আয়োজিত আলোচনা সভার শুরুতে দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রীর দেওয়া বাণী পাঠ করা হয়। সন্ধ্যায় আংকারাস্থ
তুর্কী জাতীয় গ্রন্থাগার মিলনায়তনে তিন শতাধিক দেশি-বিদেশি অতিথির অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বাংলাদেশি খাদ্যের সমারোহে  বর্ণিল আয়োজন করা হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
 
অনুষ্ঠানের শুরুতে মহান মুক্তিযুদ্ধে অগণিত শহীদ এবং তুরস্কের সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ব্যক্তিদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। উভয় দেশের জাতীয় সঙ্গীত বাজানোর পরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের উপর প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। 
 
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তুরস্কের সংস্কৃতি ও পর্যটনবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হুসেইন ইয়াইমান। তিনি তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের জাতির জনকের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি বাংলাদেশের রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে জনগণের ত্যাগ, বেদনা ও তিতিক্ষার কথা স্মরণ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই ভ্রাতৃপ্রতীম দেশের সম্পর্ক ভবিষ্যতে নিবিড়তর এবং আরো শক্তিশালী হবে।
 
রাষ্ট্রদূত এম. আল্লামা সিদ্দীকী তাঁর বক্তব্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পাওয়া স্বাধীনতা।
 
তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি রোল মডেল এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাফল্য অনেক উন্নয়নশীল দেশের জন্য অনুকরণীয়।IMG0
 
সাংস্কৃতিক পর্বে আংকারায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশি ছাত্র/ছাত্রীদের দেশাত্ববোধক সঙ্গীত/নৃত্য পরিবেশনার পাশাপাশি প্রথমবারের মতো
তুরস্কের ফাইন আর্টস ইন্সটিটিউটের শিল্পীরা তুর্কী ভাষায় সঙ্গীত পরিবেশন করেন। আগত অতিথিবৃন্দ পরে বাংলাদেশি খাদ্যের রসনায় তৃপ্ত হন।
 
ইত্তেফাক/এমআই