অবশেষে আশ্চর্য এক আচারের দিবস পালনের সিদ্ধান্ত শোনা গেল সোনামহাটি গাঁয়ের পণ্ডিত মশাইয়ের মুখ থেকে। পণ্ডিত জগিন্দর ঋষি বলে কথা। পাকা আট বছর নিরুদ্দেশ থাকার পর গয়া, কাশী, বৃন্দাবন ঘুরে মুখে লম্বা পাকা শ্মশ্রুমণ্ডিত বেশে অবশেষে নিজ গাঁ থেকে পূর্বদেশে বহুদূরে সোনামহাটি গাঁয়ে এসে আস্তানা গাড়ে ঋষি জগিন্দর। গাঁয়ের সিংহভাগ বাসিন্দা তফসিলি সম্প্রদায়, যাদের প্রায় সবাই দরিদ্র, সরল ও নিরক্ষর। আর এমন একটি অনগ্রসর এলাকায় এক অশিক্ষিত মূর্খ অর্বাচীন নিজেকে খ্যাতনামা বড় পণ্ডিত হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যতটুকু ভুয়া দর্শন, নীতিকথা বা ধর্মকথার নামে গাঁয়ের একভোলা নিরক্ষর অনুসারীদের ভোলানো যায়, লোকটি তা-ই করে। আর অবোধের গো-বোধ আনন্দের মতো সকল শিষ্যদের ধারণা, তাদের পণ্ডিত মশাই-ই দেশের সেরা জ্ঞানী। পণ্ডিত যা বলবে, শিষ্যরা তা অকাতরে বিনাবাক্যব্যয়ে পালন করতে মরিয়া হয়ে ওঠে। বলাবাহুল্য, পণ্ডিত জগিন্দর ঋষির মতো তার স্ত্রী শশীবালাও বোধহীন সহজ-সরল এক অশিক্ষিত রমণী। সঙ্গত কারণেই স্বামীর চতুর পণ্ডিতির ঘোরপ্যাঁচ কিছুই বুঝতে পারে না এই নারী।
একথা অনেকেরই জানা যে, এক-এ চন্দ্র, দু-এ পক্ষ, তিন-এ নেত্র ইত্যাদি। যা হোক, প্রতিমাসে ‘শুক্ল’ ও ‘কৃষ্ণ’-পক্ষ নামে দুটো পক্ষ রয়েছে, যেগুলোর প্রত্যেকটি পনের দিন করে, এবং তিথিগুলো প্রতিরাতের চাঁদের অবস্থান ও আকারের ওপর জ্যোতির্বিদগণ নির্ধারণ করেছেন—প্রতিপদ, দ্বিতীয়া, তৃতীয়া, চতুর্থী ইত্যাদি। কিন্তু মুশকিল হচ্ছে—পণ্ডিত জগিন্দর ঋষি তো পাঁজি-পুঁথির কিছুই পড়তে জানে না। সে তিথি বুঝবে কী করে ? সঙ্গত কারণেই তিথি গণনার জন্যে সে তৈরি করে নেয় পনেরোটি কাঠি। অর্থাত্ মাসে দুটো পক্ষের প্রতিটি দিনে কাঠিগুলো পৃথক রাখার ওপর নির্ভর করে তার তিথি গণনা। পণ্ডিত তার শয়নকক্ষের খাটের নিচের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে যেদিন একটি কাঠি এনে রেখে দিবে, সেদিন প্রতিপদ। পরদিন আরো একটি কাঠি এনে পূর্বদিনের কাঠির সাথে রাখে, তার মানে—সেদিন দ্বিতীয়া। এমনি করে দিনে দিনে একটি করে কাঠির সংখ্যা বাড়ে, আর তিথি গণনাও বাড়ে। এভাবে যেদিন সব ক’টি, অর্থাত্ পনেরটি কাঠিই অপর প্রান্তে জমা হবে, সেদিন সে সকল শিষ্যদের জানিয়ে দেয়, ‘পূর্ণিমা’ বা ‘অমাবস্যা’-র কথা। এহেন মূর্খ, আনকোরা ঋষির তিথি-সচেতন তত্পরতা দেখে গাঁয়ে তাঁর শিষ্যদের মধ্যে হারান, পরান আর সুবল বলাবলি করছিল যে, পণ্ডিতমশাই তাদের মহাপ্রভু চৈতন্যদেবের পরই জ্ঞানে, আচারে আর ধর্মশাস্ত্রে অদ্বিতীয়। ‘পণ্ডিত মশাই আমাদের অহংকার’—এমন ধারণা তাদের। পঞ্চমুখে জগিন্দর ঋষির প্রশংসা করে সেদিন ওরা তিথি জানতে পণ্ডিত মশাইয়ের বাড়ির বৈঠকখানায় এসে হাজির হলো।
শশীবালা দেবী, পঞ্চাশোর্ধ্ব সহজ-সরল এক নিরক্ষর রমণী, ঋষির একনিষ্ঠ স্ত্রী। ঘর-দোরে ঝাড় দিয়ে সবে যখন এ রমণী দাওয়ায় বসে সবজি কুটছে, এমন সময় হারান, পরান ও সুবল শিষ্যত্রয় বাড়ির বাইরে থেকে হাঁক দেয়—‘পণ্ডিত মশাই বাড়ি আছেন? ও পণ্ডিত মশাই?’ ভেতর থেকে জগিন্দর ঋষি বেরিয়ে এসে জিজ্ঞেস করে—‘কী হে, ডাকছো কেন?’
—‘আজ কী তিথি পণ্ডিত মশাই?’ হারান জানতে চায়।
—‘একটু দাঁড়াও, ভেতর থেকে দেখে আসি’ বলে পণ্ডিত মাথা চুলকাতে চুলকাতে ত্রস্তপদে ভেতরে চলে যায়। ভেতরে গিয়ে নিজের তৈরি কাঠির অবস্থান দেখে তো তার মাথায় হাত। নির্বোধ স্ত্রী তার লেখাপড়া জানা তো দূরের কথা, কাঠির মাথামুণ্ডুর খবরও রাখে না। ঘর ঝাট দিতে গিয়ে বেচারি সহধর্মিণী স্বামীর রাখা দু’পাশের কাঠিগুলো সব একীভূত করে ঘরের এক কোণে রেখে দেয়। পণ্ডিত স্বীয় স্ত্রীকে বকাবকি করছে আর অস্থির পায়চারি করছে—কী দিয়ে এখন সে বোঝাবে তিথির খবর? অবশেষে এক লাফে বাইরে এসে পণ্ডিত শিষ্যত্রয়কে শুধায়—
—শোন বাছারা, আজ হচ্ছে কাঠিয়ে কাঠিয়ে মিলন।
—‘সেটা আবার কী পণ্ডিত মশাই?’ হারানের কৌতুহলোদ্দীপক প্রশ্ন।
—আরে, আজ তো মহাপবিত্র স্নানের দিন। অষ্টমীস্নানের চেয়েও বড়।
—‘আমাদের কোথায় গিয়ে স্নান করতে হবে পণ্ডিত মশাই?’ এবার পরান জানতে চায়।
—এ দিনে নারী-পুরুষ সকলে মিলে নদীতে ডুব দিয়ে স্নান করলে মহাপুণ্যি।
—‘তা-ই নাকি পণ্ডিত মশাই!’ তিন জনেরই সমস্বরে প্রশ্ন।
—তবে আর বলছি কী? এই স্নানের কথা ক’জন পণ্ডিত জানেন? কেবল আমিই বলতে পারি।
—‘সে আমরা জানি, পণ্ডিত মশাই। আপনি আমাদের গাঁয়ের মাথা, অহংকার।’ হারানের গদগদ গলা।
—‘সে আর বলতে ভায়া? মহাপ্রভু চৈতন্যদেবের মতোই জানি আমাদের পণ্ডিত মশাইকে।’ পরানের সায়।
—‘হারান-পরান ঠিকই বলেছে পণ্ডিত মশাই। আপনার মতো অগাধ জানেয়ালা পণ্ডিত এ গাঁয়ে আর দ্বিতীয়টি নেই।’ সুবলের ইতিবাচক মতামত।
—‘শুধু গাঁ বলছো কেন গো বাছা? সারাদেশে একটা দেখাও না এনে?’ এ কথার পর হারান আবার বলে, ‘তাহলে আমরা সবাইকে জানিয়ে দিই যে, আজকে কাঠিয়ে কাঠিয়ে মিলন উপলক্ষে সকলের নদীতে গিয়ে স্নান করতে হবে। কী বলেন পণ্ডিত মশাই?’
—‘হ্যাঁ হ্যাঁ, সবাইকে জানিয়ে দাও, শীঘ্র চলে যাও।’ পণ্ডিত মশাইয়ের কথা শুনে সেদিন সবাই চলে গেল।
ভাদ্র মাস। শরতের শুরু হলেও বংশাই নদী এখনো যৌবন-জোয়ারে পরিপূর্ণ। সোনামহাটি বাজারের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে এ নদী। বর্ষায় দূর-দূরান্ত থেকে ছোট-বড় আর রকমারি গয়নার নৌকোর আনাগোনা। তেমনি সেদিন জেলা শহরের বড় পণ্ডিত মশাই—অচিন্ত্য কুমার ভট্টাচার্য্য যাচ্ছিলেন গয়নার নৌকো করে। সংস্কৃতে কাব্যতীর্থ ক্লিন সেভ করা এ পণ্ডিত ধর্ম, শাস্ত্র ও আচার-অর্চনায় অভিজ্ঞ। সাথে পাঁজি-পুঁথি তাঁর সার্বক্ষণিক সঙ্গী। যাওয়ার পথে নদীর দু’ধারের দৃশ্য দেখতে দেখতে অকস্মাত্ সোনামহাটি ঘাটের দিকে তাকাতেই তাঁর চক্ষু ছানাবড়া। ব্যাপার কী, এখানে এত লোক স্নান করছে কেন! আজ তো কোনো ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান নেই। তিনি চট্ করে পাঁজি বের করে দেখলেন, কিন্তু না, কিচ্ছুটি নেই এ দিনে। অচিন্ত্যবাবু মাঝিকে বললেন, ‘মাঝি, নৌকো ভেড়াও এ ঘাটে।’ নৌকো তীরের কাছাকাছি এলে নৌকোয় বসেই তিনি স্নানরত পূণ্যার্থীদেরকে জিজ্ঞেস করলেন—
—‘আজ কী হে, তোমরা সবাই মিলে আজ এ নদীতে এসে স্নান করছো কেন?’ শহুরে পণ্ডিত মশাইয়ের কথা শোনে হারান এগিয়ে গিয়ে সদম্ভে উত্তর দেয়—
—কী বলছেন আপনি! আপনি কি জানেন না যে আজ কাঠিয়ে কাঠিয়ে মিলন?
—সেটা আবার কী? আমিও তো ধর্মীয় শাস্ত্র ও পণ্ডিতি লাইনে কাজ করি; কিন্তু তোমরা এমন খবর পেলে কোথায়?
—‘বাবু বলেন কী! দেখতে তো পণ্ডিতই মনে হয়, কিন্তু শাস্ত্র আর আচারজ্ঞান এত কম কেন আপনার? যান, শুনে আসুন গিয়ে আমাদের জগিন্দর ঋষি পণ্ডিত মশাইয়ের কাছে। আপনি কেমন পণ্ডিতি লাইনে কাজ করেন, সাত ঘাটের জল খাইয়ে দেবে আপনাকে।’ অচিন্ত্যবাবুর আর বুঝতে বাকি রইল না যে, এখানে সবারই অবোধের গো-বোধ আনন্দ। অনেকটা বাঘ নেই দেশে হরিণের রাজত্বের মতো। এমন ভণ্ড একজন পণ্ডিতের উপযুক্ত সাজা হওয়া দরকার। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন—
—তা তোমাদের পণ্ডিত মশাইয়ের বাড়িটা কোথায়?
—“ওই তো, তীরের কাছেই। উনি এদেশের সেরা পণ্ডিত, সবাই বলে ‘জ্ঞানের সাগর’।’’ এবার পরানের গর্বভরা মন্তব্য।
—‘তাহলে তো একবার দেখতে হয় উনাকে। চলো, তোমাদের পণ্ডিত মশাইয়ের বাড়ি যাওয়া যাক।’ অচিন্ত্যবাবুর ইচ্ছানুযায়ী সোনামহাটি গাঁয়ের পূণ্যার্থীগণ তাদের পণ্ডিত মশাইয়ের বাড়ি নিয়ে গেল। স্নান সেরে সকল শিষ্যগণ পিছু পিছু অতি সাগ্রহে জগিন্দর ঋষির বাড়ি অভিমুখে যেতে শুরু করল। তাদের কৌতূহল—ধর্মজ্ঞানে কী এবং কোন প্রশ্ন করে তাদের পণ্ডিত শহুরে পণ্ডিত অচিন্ত্যবাবুকে সাত ঘাটের জল খাওয়ায়।
দুটো ঢেউটিনের ঘরের একটি জগিন্দর ঋষির বৈঠকখানা। অচিন্ত্য ভট্টাচার্য্যকে ঋষির জনৈক অনুসারী অভ্যর্থনা জানিয়ে বৈঠকখানার খাটের একপাশে এনে বসাল। কিছুক্ষণ পরেই ঋষি বৈঠকখানায় ঢুকতেই ঋষিকে দেখে যেন হঠাত্ চমকে ওঠেন অচিন্ত্যবাবু। একি! এ যে সেই সিঁধেল চোর—জগুরাম দাস। আট বছর আগে যে ব্যক্তি তাঁর বাড়িতে চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ে। বেশ উত্তম মধ্যম খেয়ে তাঁর হাতে-পায়ে ধরে সে রাতে কোনোরকম পালিয়ে বাঁচে, সে কিনা আজ এখানে আস্তানা গেড়ে বড় পণ্ডিত বনেছে! অবশ্য এতদিন পর অচিন্ত্যবাবুকে দেখে ঋষিও যে আঁতকে ওঠেনি, তা নয়; তবু অচেনার ভান করছে। কথাবার্তা চলছে দুজনের মধ্যে। অচিন্ত্যবাবু খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে জগিন্দর ঋষিকে দেখছেন। তখন গালে দাড়ি ছিল না ঋষির। তিনি বুঝতে পারলেন, এ তার ছদ্মবেশ। শিষ্যগণ নিচেই মাদুর বিছিয়ে পণ্ডিতদ্বয়ের আলোচনা শুনছে। জগিন্দর ঋষি কথা বলছে আর নিজের গণ্ডদেশ এবং চিবুকের লম্বা দাড়িতে হাত বুলাচ্ছে, হাতের অঙ্গুলি সঞ্চালন করছে। অকস্মাত্ একখানা পাকা দাড়ি খসে পড়ে খাটের ওপর। আর সে মুহূর্তেই গণ্ডচ্যুত দাড়িখানা শহুরে পণ্ডিত কুড়িয়ে এনে নিজের ধুতির কোণে বেঁধে রাখলেন। উপস্থিত শিষ্যগণ কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞেস করে—
—একি, এ কী করলেন আপনি!
—আরে, এ কি সাধে বাঁধলাম ? তোমাদের পণ্ডিত মশাই শুধু দেশের সেরা নন, সারা বিশ্বের একজন খ্যাতনামা মনীষী। আর এ মনীষীর গালের দাড়ি যার বাড়িতে থাকবে, তার বাড়িসুদ্ধ চিরসুখ ও শান্তি বজায় থাকবে। কোনো অভাবের বালাই থাকবে না—একেবারে স্বর্গ। অচিন্ত্যবাবুর কথা শেষ হতে না হতেই মূর্খ শিষ্যের দল যেন হুমড়ি খেয়ে পড়ল জগিন্দর ঋষির মুখ থেকে দাড়ি ছিঁড়ে নেয়ার প্রতিযোগিতায়। অবস্থা বেগতিক দেখে ঋষি আর্তচিত্কার দিয়ে ওঠে, আর করজোড়ে অচিন্ত্যবাবুকে বলে—
—কর্তাবাবু, এইবেলা আমাকে বাঁচান। আমি আপনাকে চিনতে পেরেছি।
—‘আমিও তোমাকে আগেই চিনেছি।’ অচিন্ত্যবাবুর উত্তর। তিনি আবার চক্ষু রক্ত-গরম করে বললেন, ‘তুমি সেই সিঁধেল চোর—জগুরাম দাস। তোমাকে একবার চৌর্যবৃত্তির দায়ে গণপিটুনির হাত থেকে বাঁচিয়েছি। আবার এখানে এসে কিছু সহজ-সরল মানুষকে পেয়ে তাদের ধোঁকা দিয়ে ভণ্ড পণ্ডিত সেজেছো?’
—বাবু, আজ কাঠিয়ে কাঠিয়ে মিলন।
—‘চুপ করো, ফের ভণ্ডামি?’ শহুরে বাবুর উচ্চকণ্ঠ।
—‘না না না কর্তাবাবু, ও কথা আর কখনো মুখে আনবো না। এই কান ধরে বলছি (নিজের দুই কান ধরে) বাবু, আমি আর এসব ভণ্ডামি করবো না। আমাকে ক্ষমা করুন কর্তা।’ এমন অবস্থায় শিষ্যগণ কিছুটা ক্ষান্ত হয়ে বুঝতে চেষ্টা করে।
—‘বেশ, দ্যাখো; তোমার শিষ্যরা যদি তোমাকে ক্ষমা করে, তবেই তুমি বাঁচতে পারো।’—এই কথা বলে শহুরে পণ্ডিত বৈঠকখানা থেকে বেরিয়ে এসে ঘাটে বাঁধা নৌকোয় চাপলেন। নৌকো ছেড়ে মাঝ নদী বরাবর বহুদূর চলে গেলে সুদূর নৌকো থেকে শুধু একবার শোনা গেল, ‘কত বড় ভণ্ড, বলে কিনা—আজ কাঠিয়ে কাঠিয়ে মিলন’।
সেদিন সন্ধ্যার পর থেকে আর জগিন্দর ঋষিকে খুঁজে পাওয়া গেল না। সস্ত্রীক গাঁ ছেড়ে পালিয়েছে। পরানকে জিজ্ঞেস করে হারান—
—‘কী হে ভায়া, আমাদের পণ্ডিত মশাই কোথায়?’ এ সময় সুবল এসে যোগ দিলে দুজনে সমস্বরে উত্তর দেয়—‘আজ কাঠিয়ে কাঠিয়ে মিলন’।
সেই থেকে ভণ্ড ঋষির ভণ্ড পণ্ডিতি—‘কাঠিয়ে কাঠিয়ে মিলন’ উপাখ্যানের পরিসমাপ্তি ঘটল।
