ইত্তেফাকের ৬৪তম বর্ষে পদার্পণ অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, দৈনিক ইত্তেফাক ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা একই সূত্রে গাঁথা। ১৯৪৭ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ যখন অঙ্কুরিত হয়েছিল, তখনি দৈনিক ইত্তেফাকের সূচনা হয়েছিল। এরপর থেকে দৈনিক ইত্তেফাক বেড়ে ওঠার সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে এদেশের স্বাধীনতার প্রেক্ষাপট সৃষ্টিতে কাজ করছে। কাজেই ইত্তেফাককে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস লেখা যাবে না।
শনিবার বেলা ১১টায় রাজশাহীর হোটেল নাইসের সম্মেলন কক্ষে দৈনিক ইত্তেফাকের ৬৪তম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে আয়োজিত সুধী-সমাবেশ ও কেক কাটা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ইত্তেফাকের প্রতি আমাদের দেশের মানুষের ভালবাসা ও আদর্শবোধ রয়েছে। ইত্তেফাকের লেখনি মুক্তিযুদ্ধের ধারায়ই এখনো চলছে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে দৈনিক ইত্তেফাকের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে ২৫ মার্চের কালরাত্রে দৈনিক ইত্তেফাক ভবন জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছিল। তারপরও ইত্তেফাকের লেখনি থামানো যায়নি। ইত্তেফাকও মুক্তিযুদ্ধের সংগ্রাম নেমেছিল। ডিসেম্বর মাস আমাদের বিজয়ের মাস। এই মাসেই পত্রিকাটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ইত্তেফাক দেশের পতাকা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, এর এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, দৈনিক সোনালী সংবাদের সম্পাদক লিয়াকত আলী, দৈনিক সোনার দেশ সম্পাদক আকবারুল হাসান মিল্লাত, রাজমাহী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহীন শওকত খালেক ও রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জামাত খান।
দৈনিক ইত্তেফাকের রাজশাহী অফিসের স্টাফ রিপোর্টার আনিসুজ্জামানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন, সিনিয়র সাংবাদিক কাজী গিয়াস, রাজশাহী হোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার হাসান কবীর, রাজশাহী ব্যবসায়ী ও নাগরিক সমন্বয় পরিষদের সদস্য সচিব সেকেন্দার আলী, মুক্তিযোদ্ধা সফিকুর রহমান রাজা, প্রবীণ সংবাদপত্র এজেন্ট অধ্যাপক (অব.) নজরুল ইসলাম, সংবাদপত্র এজেন্ট নুরুল ইসলাম, সংবাদপত্র হকার ইউনিয়ন নেতা দুলাল হোসেন ও সাইদুর রহমান, রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মামুন অর রশিদ, এসএটিভি ও দৈনিক যুগান্তরের স্টাফ রিপোর্টার জিয়াউল গনি সেলিম, সরদহ ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মতিউর রহমান তপন, বিশিষ্ট উন্নয়নকর্মী সাইদুজ্জামান শিপন, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজনের) রাজশাহী অঞ্চলের সমন্বয়কারী সুব্রত কুমার পাল, দৈনিক সোনালী সংবাদের সিনিয়র রিপোর্টার তৈয়বুর রহমান, রাজশাহী মেট্টোপলিটন প্রেসক্লাবের সভাপতি মমিনুল ইসলাম বাবু, দৈনিক সংবাদ রাজশাহীর ব্যুরো প্রধান সুব্রত দাস, দ্যা ডেইলি স্টারের স্টাফ রিপোর্টার আনোয়ার আলী হিমু, দৈনিক মানবজমিনের স্টাফ রিপোর্টার আসলাম উদ দৌলা, রাজশাহী ফটোসাংবাদিক এসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আসাদুজ্জামান, দৈনিক সোনার দেশের স্টাফ রিপোর্টার আশরাফুল আরেফিন, শাহীন ক্যাডেট একাডেমি রাজশাহীর পরিচালক হাবিবুর রহমান, ইত্তেফাকের পুঠিয়া প্রতিনিধি হাসমত দৌলা, পবা প্রতিনিধি ডা. আনিছুর রহমান, বাগমারা প্রতিনিধি মাহফুজুর রহমান প্রিন্স, ইত্তেফাকের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মেহেদী হাসান ও সাংবাদিক আব্দুস সাত্তারসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার শতাধিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া টেলিফোন করে বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব ও রাজশাহী মহানগর সভাপতি মিজানুর রহমান মিনু ও সাধারণ সম্পাদক সফিকুল হক মিলন, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নাদিম মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক কামরুল মনির, জাতীয় পার্টির (জেপি) রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ সালাহউদ্দিন, রাজশাহী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আনোয়ারুল আলম ফটিক, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, কাজী আবদুল ওয়াদুদ দারা এমপি, ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক এমপি, মিসেস আকতার জাহান এমপি, আয়েন উদ্দিন এমপি, রাবির সাবেক উপাচার্য প্রফেসর আবদুল খালেক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহম্মদ মিজান উদ্দিন, উপ-উপাচার্য প্রফেসর চৌধুরী সারওয়ার জাহান, রাবি শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি প্রফেসর আনন্দ কুমার সাহা, সাবেক ছাত্র উপদেষ্টা প্রফেসর সাদেকুল আরেফিন প্রমখ ইত্তেফাকের ৬৪তম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষ্যে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
ইত্তেফাক/ইউবি
