মঙ্গল শোভাযাত্রার সূচনালগ্নে সংশ্লিষ্টদের সংবর্ধনা

আপডেট : ২৪ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৯:৪৪
পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রার সঙ্গে এর সূচনালগ্নে যারা সংশ্লিষ্ট ছিলেন তাদের সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।
 
শনিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় এই সংবর্ধনা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে তাদের হাতে তুলে দেয়া হয় শুভেচ্ছা স্মারক।
 
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে প্রতিবছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ যে ঐতিহ্যবাহী মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করে আসছে তা সম্প্রতি ইউনেস্কোর 'ইন্টার গভর্নমেন্টাল কমিটি অব আইসিএইচ' কর্তৃক 'ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি' হিসেবে স্বীকৃত ও তালিকাভুক্ত হওয়ায় 'এসো গাহি মঙ্গলের জয়গান' শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
 
চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিসার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব বেগম আকতারি মমতাজ, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান প্রমুখ উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন।
 
মঙ্গল শোভাযাত্রা আয়োজনের সূচনালগ্নে যারা যুক্ত ছিলেন বিশেষত ১৯৮৬-১৯৮৭ সালের চারুকলা শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং মঙ্গল শোভাযাত্রার বৈশ্বিক স্বীকৃতি অর্জনে সহায়তা করায় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও বাংলা একাডেমিকে সংবর্ধনা জানানো হয়।
 
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে অনুষদের পক্ষ থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেয়া হয়।
 
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিতদের হাতে শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। উত্তরীয় পরিয়ে দেন বাংলাদেশ চারুশিল্পী সংসদের সভাপতি বরেণ্য শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার এবং চারুকলা অনুষদের অঙ্কন ও চিত্রায়ন বিভাগের সংখ্যাতিরিক্ত অধ্যাপক রফিকুন নবী।
 
বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় অসাম্প্রদায়িক উৎসব পহেলা বৈশাখ। এই উৎসবকে ঘিরে মঙ্গলশোভাযাত্রা এখন বাংলাদেশে সংস্কৃতির অন্যতম অনুষঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনুষ্ঠানে এই আয়োজনে সূচনালগ্ন থেকে প্রতিটি শোভাযাত্রার পোস্টার প্রদর্শন করা হয়।
 
ইত্তেফাক/এসএস