গ্রাহক হিসাবে নগদ লেনদেনসীমা বাড়ানোর দাবি ব্রোকারদের

আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৩:১৫
 
পুঁজিবাজারের গ্রাহক হিসাবে এককালীন নগদ লেনদেনসীমা ৫ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ লাখ টাকায় উন্নীত করার দাবি জানিয়েছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। বর্তমানে বিনিয়োগকারীরা ব্যক্তিগত হিসাবে একসঙ্গে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত নগদ লেনদেন করতে পারেন। যা ১৯৮৭ সালের আইন (১৯৯৯ সালের গেজেট) অনুযায়ী পরিচালিত হয়ে আসছে।
 
জানা গেছে, অর্থ পাচার রোধে ব্যক্তি হিসাবের বিপরীতে নগদ লেনদেনের সীমা নির্ধারণ করে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিএসইসি। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭-এর ৮ নম্বর ধারার (সিসি) (ওয়ান)-এ বলা হয়েছে, কোনো একক বিও হিসাবের বিপরীতে নগদ অর্থ গ্রহণ ও প্রদানে এককালীন ৫ লাখ টাকার সীমা অতিক্রম করা যাবে না। এদিকে দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে দেশের অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের আকার অনেক বড় হয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্য সমপ্রসারণে বাংলাদেশ ব্যাংকও গ্রাহক হিসাবে নগদ লেনদেনের সীমা এরই মধ্যে দুই দফায় বাড়িয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রথমে তা ৭ লাখ ও পরে ১০ লাখ টাকায় উন্নীত করেছে। শেয়ারবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি ও বড় আকারের লেনদেনের কথা বিবেচনা করে এটি ১০ লাখে উন্নীত করা দরকার বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে সম্প্রতি এক সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ডিবিএ)।
 
চিঠিতে স্টক ব্রোকারদের গ্রাহক হিসাবে নগদ লেনদেনের সীমা বাড়ানোর পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশের বিপরীতে আয়কর সনদপত্র সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউজ ও ডিলারদের কাছে পাঠানোরও দাবি জানানো হয়েছে। কর সনদের বিষয়ে ডিবিএ জানিয়েছে, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে প্রাপ্ত নগদ লভ্যাংশের বিপরীতে প্রত্যেক গ্রাহককে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) ট্যাক্স সার্টিফিকেট দিতে হয়। একজন বিনিয়োগকারী বিভিন্ন কোম্পানিতে বিনিয়োগ করায় প্রত্যেক কোম্পানিতে গিয়ে এ সার্টিফিকেট সংগ্রহ করা কষ্টসাধ্য। তাই গ্রাহকদের হিসাবের বিপরীতে কোম্পানিগুলো ব্রোকারেজ হাউজে এ সনদপত্র পৌঁছে দিলে বিষয়টি সব পক্ষের জন্য সহজ হয়। ফলে গ্রাহকদের হয়রানি কমে যাবে।