রাজধানীর আফতাব নগরে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুজন নিহত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে আফতাব নগরের এম ব্লক বরইতলা এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে। ওই দুজনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল ইমরান। তিনি নিহতদের নাম জানাতে পারেননি। আল ইমরান বলেন, নিহতদের বিস্তারিত পরিচয় ডিবি পুলিশের কাছে আছে। তিনি জানান, ভোরে আফতাব নগর এম ব্লক বরইতলা এলাকায় ডিবির (উত্তর) সঙ্গে সন্ত্রাসীদের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এতে ওই দুজন গুলিবিদ্ধ হয়। খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। চিকিত্সক তাদের সকাল সোয়া ৬টায় মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (উত্তর) সাহজাহান সাজু জানিয়েছেন, বন্দুকযুদ্ধে নিহত দুজন টারজান বাহিনীর শীর্ষ সন্ত্রাসী বলে ধারণা করা হচ্ছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাড্ডা থানাধীন আফতাব নগর এলাকায় ডিবি পুলিশের একটি দল অভিযানে গেলে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এরপর দুজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিত্সক ভোর সাড়ে ৪টার দিকে তাদের মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে আরও দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গোয়েন্দা পুলিশসূত্র জানায়, গত ১৮ মার্চ মেরুল বাড্ডায় জুলহাস হোসেন মোল্লা নামে এক ব্যক্তিকে রাত ৯টার দিকে গুলি করে হত্যা করে টারজান বাহিনীর সন্ত্রাসীরা। অভিযোগ ছিল, জুলহাস মাদক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিল। কমিশন না পেয়ে টারজান বাহিনীর সন্ত্রাসীরা তাকে গুলি করে হত্যা করেছে বলে ধারণা পুলিশের। জুলহাসের স্ত্রী জিমি আক্তার পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছিলেন, টারজান মনির ও তার সহযোগীরা মিলে জুলহাসকে গুলি করে হত্যা করেছে।
গোয়েন্দা পুলিশের ধারণা, টারজান বাহিনীর প্রধান মনির ও তার সহযোগী শাহ আলী ওরফে শাহেনশাহ বাড্ডার আফতাব নগরে ডিবি পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। এরপরেও তাদের পূর্ণাঙ্গ পরিচয় নিশ্চিতের জন্য কাজ করা হচ্ছে।
