বনানীর এফ আর টাওয়ারে আগুন লাগার পর পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও হতাহতদের পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনাও দেন তিনি। এছাড়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলে পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। আহতদের সর্বোচ্চ চিকিত্সা সেবা নিশ্চিত করতেও তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি নির্দেশনা দিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এ তথ্য জানিয়েছেন।
জানা গেছে, অগ্নিকাণ্ডের শুরু থেকে আটকে পড়াদের উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী সার্বিক বিষয় মনিটরিং করেন। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য সমালোচনা করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়া কারাগারে যেসব সুযোগ-সুবিধা পেয়েছেন বা পাচ্ছেন দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত আসামি এমন সুযোগ-সুবিধা পায় না। উপমহাদেশের ইতিহাসে এ ধরনের নজির দেখা যায় না। যে হাসপাতালে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জীবন সংকটাপন্ন অবস্থায় ভর্তি হয়েছিলেন সেই হাসপাতালে খালেদা জিয়া চিকিত্সা নেবেন না। তাহলে প্রশ্ন জাগে বঙ্গবন্ধুর নামের সঙ্গে হাসপাতালের নাম জড়িত বলে কি তিনি চিকিত্সা নেবেন না?
হাছান মাহমুদ বলেন, রিজভী সাহেব একবার বলেন পরিত্যক্ত কারাগার ভবনে খালেদা জিয়াকে রাখা হয়েছে। আবার যখন তাকে নতুন কারাগারে স্থানান্তরের চেষ্টা চলছে তখন তিনি বলছেন নির্মাণাধীন কারাগারে খালেদা জিয়াকে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাহলে কি খালেদা জিয়াকে পাঁচতারকা হোটেলে রাখতে হবে? সাংবাদিক সম্মেলনে আওয়ামী নেতা এস এম কামাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, মারুফা আক্তার পপি, রেমন্ড আরেং, শামসুন নাহার চাঁপা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
