বনানীর এফআর টাওয়ারে ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ছুটছেন স্বজনরা। গতকাল সন্ধ্যায় ইউনাইটেড হাসপাতালে ভাই আতাউর রহমানের খোঁজে আসেন সুলতানা। মধ্য বয়সী ওই নারীর হাত ধরে এসেছে আতাউরের মেয়ে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন আতাউর নামে কেউ চিকিত্সা নিতে আসেননি। এরপর ছুটে যান হাসপাতালের তথ্য বিভাগে। সেখানে দায়িত্বরত কর্মীরাও দিতে পারেনি সন্ধান। ইউনাইটেড থেকে বেরিয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হন সুলতানা।
সুলতানা বলেন, আমার ছোট ভাই। ওর সাথে দুপুরেও কথা হয়েছে। আতাউরের অফিস ছিল ওই ভবনের ৭ তলায়। একই রকম উত্কণ্ঠা নিয়ে ছুটে আসেন তুহিন। তিনি জানান, তার ভাই নাহিদুল ইসলাম এফআর টাওয়ারের ১১ তলায় কাজ করতেন। তিনি ঢাকা মেডিক্যালেও খোঁজ নিয়েছেন, কিন্তু পাননি। ইউনাইটেড হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে।
ইউনাইটেড হাসপাতালের ইনফরমেশন ডেস্কে দায়িত্ব পালন করছেন ফাহমিদা। তিনি জানান, ইউনাইটেড হাসপাতালে মোট ২৬ জনকে আনা হয়েছিল। তাদের মধ্যে তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিত্সক। এদের শরীরে পোড়ার দাগ ছিল না। ধারণা করা হচ্ছে, ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে।
