গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনের হত্যাকারীরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে।
গত ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় দুর্বৃত্তরা এমপি লিটনকে নিজ বাড়িতে ঢুকে গুলি করে হত্যা করে। তার হত্যার পর র্যাব, পুলিশ, বিজিবিসহ গোয়েন্দারা মাঠে নামলেও ৫ দিনেও হত্যাকারীদের গ্রেফকার করতে পারেননি। এমপি লিটন হত্যার পর সুন্দরগঞ্জসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে ৩৯ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলেও প্রকৃত হত্যাকারীদের শনাক্ত করতে পারেনি।
পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দফায় দফায় খুনের প্রকৃত মোটিভ খুঁজে বের করতে বৈঠক করছেন।
বিভিন্ন কর্মসূচি : আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সংগঠন আসামি শনাক্তসহ গ্রেফতার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও বিভিন্ন কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে।
পুলিশের ভাষ্য : অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম জানান, হত্যাকারীদের শনাক্তসহ গ্রেফতার করতে আমরা অত্যন্ত তৎপর। আশা করি, অল্প সময়ে অপরাধীদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হব। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবু হায়দার মো. আশরাফুজ্জামান জানানা, এখন থেকে ৭ দিনের মধ্যে আসল তথ্য জানতে পারবেন।
শোক সভা : বুধবার এমপি লিটনের হত্যাকাণ্ড নিয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কক্ষে বিকেলে ইউপি চেয়ারম্যানদের এক শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় উপজেলা চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) রেজিয়া বেগমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লেবু, মনোয়ার আলম সরকার, এ্যাডভোকেট মোখলেছুর রহমান রাজু, গোলাম কবির মুকুল প্রমুখ।
ইত্তেফাক/ইউবি
