পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সোনারগাঁয়ের পিরোজপুর ইউনিয়নের ভবনাথপুর এলাকায় দু পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সকালে পিরোজপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি জাকির হোসেন ও পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোশারফ হোসেন পক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছে। আহতদের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা যায়। ঘটনার পর সোনারগাঁ থানা পুলিশ ৩ জনকে আটক করেছে। এ ঘটনায় থানায় উভয় পক্ষের মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার কান্দারগাঁও গ্রাম এলাকা থেকে ৪টি সিএনজিযোগে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে ২০-২৫ জনের একটি দল ভবনাথপুর গ্রামের ওপর দিয়ে বৈদ্যেরবাজার এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় যাচ্ছিল। পথে ভবনাথপুর গ্রামের মোল্লা এন্টারপ্রাইজ নামক বালুর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে সিএনজিগুলো জ্যামে পড়ে। এসময় মোশারফ মেম্বারের চাচাতো ভাই ফয়সাল জাকিরের লোকজনকে দেখে তাদের দলের লোকজনকে খবর দেয়। এসময় মোশারফের লোকজন রামদা, হকিস্টিক, ছোরা ও দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জাকিরের লোকজনের উপর হামলা চালায়। হামলায় জাকারিয়া, তারা মিয়া, লিটন, মোতালেব, নোমান আহত হয়। এসময় মোশারফের লোকজনের কাছ থেকে দা, বঁটি কেড়ে নিয়ে জাকিরের লোকজন ফয়সাল, শান্ত, কবির, আবু সাঈদ ও আবু নাঈমকে কুপিয়ে আহত করে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। আহতদের মধ্যে মোশারফ পক্ষের ফয়সাল, শান্ত ও জাকির পক্ষের জাকারিয়ার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা যায়। ঘটনার পর সোনারগাঁ থানা পুলিশ খোরশেদ, আকতার ও সুজন নামের তিনজনকে আটক করে।
