বগুড়ার আদমদীঘিতে আত্মীয়ের পরিচয়ে মিষ্টি খাওয়ানোর নাম করে একটি বাড়ীতে কৌশলে আটকে রেখে এক গৃহবধূকে (৩০) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এই ঘটনায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। তারা হলেন, তিলোছ জয়দেবপাড়ার আব্দুল জোব্বারের ছেলে আয়নাল হক ওরফে ময়েন, বড় আখিড়া আদর্শ গ্রামের জাহান আলী ও তার স্ত্রী রেবেকা বেগম এবং মিলটন ও তার স্ত্রী রাজিয়া বেগম। এদের মধ্যে মিলটন ও স্ত্রী রাজিয়া বেগম এবং রেবেকা বেগমকে পুলিশ গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করেছে। ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য মেডিক্যালে প্রেরণ করা হয়েছে।
আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ শওকত কবির জানায়, আদমদীঘির তিলোছ পিতাহার গ্রামের ওই দুই সন্তানের জননী গত ৩ জানুয়ারি সকালে বাড়ী থেকে শীতের কাপড় কেনার জন্য সান্তাহার মার্কেটে যাওয়ার উদ্দেশ্যে একটি অটোরিকশায় ওঠে। এসময় ভিকটিমের পূর্ব পরিচিত তিলোছ জয়দেবপাড়ার আয়নুল হক ওরফে ময়েন তার নিকট এসে জানায় আত্মীয়ের বাড়ী হয়ে মিষ্টি খেয়ে পরে সান্তাহার যাওয়া যাবে। সে কথা মতো ভিকটিম ময়েনের সাথে বড় আখিড়া আদর্শ গ্রামের রাজিয়ার বাড়ীতে যায়। সেখানে অবস্থান কালে রাজিয়া তার সন্তান নিয়ে বাড়ীর বাহিরে গেলে এ সুযোগে ওই গৃহবধূকে ঘরের আটক রেখে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ময়েন ভিকটিমকে ধর্ষণ করে। এরপর বাড়ী ফিরে তার স্বামীকে সমস্ত ঘটনা জানিয়ে দেয়।
ইত্তেফাক/এসএস
