রাজধানীর বনানীতে এফ আর টাওয়ারে একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে চাকরি করতেন মাকসুদুর রহমান (৩৫) ও তার স্ত্রী রুমকী (২৮)। আগুন লাগার পর বাঁচার জন্য ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে মারা যান মাকসুদুর। আর ভবনের ভেতর থেকে উদ্ধার হয় স্ত্রীর মরদেহ। গতকাল রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালে এসে রুমকীর মরদেহ শনাক্ত করেন মাকসুদুরের খালাতো ভাই ইমতিয়াজ আহমেদ।
তিনি বলেন, বনানীর ওই ভবনের ১০ অথবা ১১ তলায় একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে চাকরি করতেন তারা স্বামী-স্ত্রী। মাকসুদুর লাফিয়ে পড়ে মারা গেলেও তার স্ত্রী রুমকি নিখোঁজ ছিলেন। পরে রাতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে গিয়ে পান রুমকীর মরদেহ। তিনি জানান, মাকসুদুরের মরদেহ ইউনাইটেড হাসপাতালে রাখা আছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা মৃত অবস্থায় রুমকীকে উদ্ধার করে ঢামেকে নিয়ে যান।
তিনি জানান, পুরান ঢাকার বাসিন্দা মাকসুদুর। পরিবারের একমাত্র ছেলে তিনি। বাবা মারা গেছেন ছোট বেলায়। সম্প্রতি মাকে নিয়ে নতুন কেনা ফ্ল্যাটে ওঠার কথা ছিল। রুমকীর গ্রামের বাড়ি নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায়। তাদের কোনো সন্তান নেই। এখন সবই শেষ হয়ে গেল।
