এখনো শুরু হয়নি নেত্রকোনার মগড়া সেতুর নির্মাণ কাজ

আপডেট : ০৮ জানুয়ারি ২০১৭, ০১:০৮

নেত্রকোনা শহরের মগড়া নদীর উপর পাকা সেতু নির্মাণ কাজ এ বছরও শুরু হবে কিনা তা নিয়ে সুধী মহলে প্রশ্ন উঠেছে। ২০১৫ সালেই এ সেতুর নির্মাণ কাজ শুরুর কথা ছিল। কিন্তু ঠিকাদারের গাফিলতির কারণে ২০১৭ সালেও শুরু হয়নি।

 
মগড়া সেতুটি ভেঙে নতুন সেতুর নির্মাণ কাজ শুরুর আগে দুটি বিকল্প সেতু নির্মাণ করতেই নির্মাণ প্রতিষ্ঠান দুই বছর লাগিয়ে দেয়। এখনো দ্বিতীয় বেইলী সেতুর নির্মাণ কাজ চলছে। এখন সংযোগ নির্মাণ করছে। ফলে জনগণের দুর্ভোগের সীমা নেই। মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ এবং ফাটল সেতু দিয়ে যানবাহন চলাচল করায় যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।
 
নেত্রকোনার সঙ্গে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সহজ যোগাযোগের জন্য ১৯৬৫ সালে মগড়া নদীর উপর পাকা সেতু নির্মাণ করা হয়। কিন্তু গত ১০ বছরে এই সেতুর পাটাতনে সাতটি ফাটলের সৃষ্টি হয়। নেত্রকোনা সড়ক ও জনপথ বিভাগ জোড়াতালি দিয়ে কোনো রকমে যানবাহন চলাচলের  জন্য ব্যবস্থা করে দেয়। কিন্তু সেতুটি ভারি যানবাহন চলাচলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়লে এবং জনসাধারণের দাবির মুখে ২০১৫ সালে সেতু নির্মাণের ব্যবস্থা করা হয়। এজন্য সাড়ে ৯ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়। টেন্ডার হয়ে কার্যাদেশও দেয়া হয়। কিন্তু গত বছর একটি বিকল্প বেইলী সেতু নির্মাণের পরপরই পানির তোড়ে বেইলী সেতুর এপ্রোচ সড়ক ধসে পড়ে। পরে এটি সংস্কার করা হয়। এরপর আরো একটি অর্থাত্ দ্বিতীয় বিকল্প বেইলী সেতু নির্মাণের কাজ এখন চলছে। দুটি বেইলী সেতু নির্মাণে দুই বছর পার হলেও মূল সেতু কবে নির্মাণ হবে তা এখনো কেউ বলতে পারছে না।
 
তবে নেত্রকোনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্তৃপক্ষ জানায়, দ্বিতীয় বেইলী সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণ চলছে। সেতু দুটি চালু হওয়ার পরপরই মূল সেতুটি ভেঙে নতুন এবং প্রশস্ত সেতুর নির্মাণ কাজ মাস দুয়েকের মধ্যে শুরু হবে।

ইত্তেফাক/এএন