ধর্ষণের প্রতিবাদে কোপ : আসামিকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ

আপডেট : ০৯ জানুয়ারি ২০১৭, ১৯:৫৫
ধর্ষণের প্রতিবাদে কোপানোর ঘটনায় করা অভিযোগ এজাহার হিসেবে গ্রহণ করতে বাঙ্গরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ওই আসামিকে দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের ডিভিশন বেঞ্চ সোমবার এই আদেশ দেন। হাইকোর্টের এই আদেশ বাস্তবায়ন করে ১৯ জানুয়ারি আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে কুমিল্লার পুলিশ সুপার ও বাঙ্গরা থানার ওসিকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। 
 
‘কুমিল্লার বাঙ্গরা: বোনকে ধর্ষণ ভাইকে কোপ থানায় সালিস’ শিরোনামে গত ৭ জানুয়ারি একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। 
 
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৩ ডিসেম্বর বাঙ্গরার শ্রীকাইল ইউনিয়নের একটি গ্রামে এক প্রতিবন্ধী মেয়েকে ধর্ষণ করে তারই প্রতিবেশী নজরুল নামের ৩০ বছর বয়সী এক যুবক। স্থানীয় কয়েকজন সেদিন নজরুলকে হাতেনাতে ধরলেও প্রভাবশালীর ছেলে হওয়ায় পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। মেয়েটির ভাই পরদিন নজরুলের বাড়িতে গিয়ে প্রতিবাদ জানালে তাকে দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়। মেয়েটির মা সব ঘটনা জানিয়ে পহেলা জানুয়ারি বাঙ্গরা থানায় লিখিত অভিযোগ করলেও পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার না করে থানায় সালিশ করে বিষয়টি মিটিয়ে ফেলার উদ্যোগ নেয় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়। 
 
প্রতিবেদনটি রবিবার হাইকোর্টের নজরে আনেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুজিবুর রহমান। সোমবার হাইকোর্ট এ বিষয়ে উপরোক্ত আদেশ দেয়। আদেশে ধর্ষণের ঘটনায় সালিশের উদ্যোগ নেওয়া কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না-তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে। 
 
ইত্তেফাক/এমআই