ইন্সপায়ার প্রকল্পের রিপোর্ট প্রকাশ করল ব্রিটিশ কাউন্সিল

আপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০১৭, ১৭:৫৮
‘ইন্টারন্যাশনাল ষ্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপস ইন রিসার্চ এ্যান্ড এডুকেশন (ইন্সপায়ার)’ শীর্ষক প্রকল্পের রিপোর্ট আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করল ব্রিটিশ কাউন্সিল ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বাংলাদেশ।
 
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ফুলার রোডে অবস্থিত ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ কার্যালয়ে একটি উৎসবমূখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে রিপোর্টটি প্রকাশ করা হয়।
 
বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের গঠনমূলক সম্পর্ককে আরো জোরদার করার লক্ষ্যে ইন্সপায়ার প্রকল্পটি গত ২০০৯ সালে হাতে নেয় ব্রিটিশ কাউন্সিল। বাংলাদেশসহ আরো নির্ধারিত কয়েকটি দেশ এই প্রকল্পের আওতায় রয়েছে।
 
গত ২০০৯ সালে ৯টি প্রকল্পের সমন্বয়ে ইন্সপায়ার প্রকল্প শুরু করে ব্রিটিশ কাউন্সিল। জৈবপ্রযুক্তি ও জ্বীনতত্ত্ব প্রকৌশলী, শিক্ষাদানের পদ্ধতি সম্বলিত ইংরেজী ভাষা, নবায়নযোগ্য ও বিকল্প শক্তি, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন, থিয়েটার ও ফ্যাশন এবং চারুকলা বিষয়গুলো নিয়ে উক্ত প্রকল্প সম্পন্ন করা হয়।
 
বাংলাদেশের ২৩টি বিশ্ববিদ্যালয় এবং যুক্তরাজ্যের ২৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ে সব মিলিয়ে ২৩টি প্রকল্প সম্পাদনে সহযোগিতা প্রদান করেছে ইন্সপায়ার। ইন্সপায়ারের সর্বশেষ প্রকল্প শেষ হবে আগামি ২০১৮ সালে।
 
রিপোর্ট প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। তিনি বলেন, ‘উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে একটি টেকশই অংশীদারত্বের ক্ষেত্রে এ প্রকল্পটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে। প্রকল্পটির মাত্রা সুবিশাল আর যদি সামগ্রিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যায় তবে বলতে হয় টেকশই সামাজিক উন্নয়নে এর প্রভাব ইতিবাচক।’
 
এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ইউজিসি’র চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান।
 
এ সময়ে ব্রিটিশ কাউন্সিলের কান্ট্রি ডিরেক্টর বারবারা উইকহ্যাম বলেন, “ব্যাক্তি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, উচ্চশিক্ষা ও সমাজের উপর ইন্সপায়ারের ইতিবাচক প্রভাব নিয়ে আমরা পুরোপুরি আবিষ্ট। আর্থসামাজিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে এটি উন্নত একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। এছাড়া উক্ত প্রকল্প প্রযুক্তি ও নীতিমালা উন্নয়ন সম্পর্কিত জ্ঞানের আদান-প্রদান আগের থেকে অনেক সহজ করে দিয়েছে।’
 
স্পন্সর ও প্রয়োগকারীদের মূল্যায়নের প্রভাবের ফলাফল সবার সঙ্গে আদান-প্রদানই ইন্সপায়ারের লক্ষ্য। ভবিষ্যতে কেউ যদি এ ধরনের কাজে আগ্রহী হয় তবে ব্রিটিশ কাউন্সিলের পরিচালনায় সম্পাদিত ইন্সপায়ারের ফলাফল ব্যাপকভাবে সহায়ক উপকরণ হিসেবে কাজে দিবে।
 
যুক্তরাজ্যভিত্তিক ব্রিটিশ কাউন্সিলের একজন কনসালটেন্ট একটি রিভিউ পরিচালনা করেন যেখানে মানদন্ড ও ইতিবাচক প্রভাবের উপর ভিত্তি করে দুটি দেশের মধ্যে গঠনমূলক অংশীদারিত্ব একটি কার্যকর পদক্ষেপ বোঝানো হয়েছে। 
 
গত ২০১৬ সালে একজন এক্সটার্নাল কনসালটেন্ট বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের প্রকল্প পরিচালকদের সহায়তায় উক্ত প্রকল্পের প্রভাব মূল্যায়ন করেন। অন্যান্যের মধ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ কাউন্সিলের কান্ট্রি ডিরেক্টর বারবারা উইকহ্যাম, ইন্সপায়ার প্রকল্পের প্রধান, এক্সটার্নাল কনসালটেন্টস এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের  ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
 
 
ইত্তেফাক/এমএইচ