হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় ফরিদপুর চিনিকলের শ্রজজীবী ইউনিয়নের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন-২০১৭ ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।
সোমবার এ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। জানা গেছে, ফরিদপুর চিনিকলের সিবিএ নির্বাচনে মোট ৫৮৪ জন ভোটার রয়েছে। সিবিএ গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ৫৮৪ ভোটারের বিপরীতে মোট ১১টি পদে নির্বাচন করার নিয়ম।
কিন্তু কর্তৃপক্ষ ওই নিয়ম ভঙ্গ করে ১৩ পদে তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কারণে ফরিদপুর চিনিকলের বিদুৎ বিভাগের শ্রমিক বারিক বিশ্বাস মহামান্য হাইকোটে রিট পিটিশন করলে বিচারপতি তারিকউল হাকিম এবং বিচারপতি মো. ফারুখ এর বেঞ্চে নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যানকে এক মাসের মধ্যে ১১টি পদে নির্বাচন করার নির্দেশ প্রদান করেন। কিন্তু এ আদেশ অমান্য করে সিবিএ নির্বাচন-২০১৭ কমিশন চেয়ারম্যান ও মহা-ব্যবস্থাপক (কারখান) মো. রফিকুল ইসলাম সকাল আটটা থেকে ভোট নেয়া শুরু করেন।
একপর্যায়ে দুপুর একটার দিকে মাইকে ঘোষণা দিয়ে ভোট গ্রহণ স্থগিত ঘোষণা করেন। এরপর প্রায় আধা ঘণ্টা পরে আবার ভোট গ্রহণ শরু করেন।
এদিকে রিটকারীর আইনজীবী অ্যাড. মন্টু ঘোষের সহকারী মো. শাহিন সেখকে বেলা সাড়ে ১২টা অবদি নির্বাচনী অফিসে বসিয়ে রেখে পুলিশে সোপর্দ করেছে বলে রিট আবেদনকারীর জুনিয়র আইনজীবী অ্যাড. মানিক মজুমদার জানান। তিরি আরো জানান, দুপুর ১.০৫ মিনিটের পরে তার ব্যবহৃত মোবাইলে ফোন করলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। এ রিপোর্ট লেথা পর্যন্ত তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।
নির্বাচন প্রধান মো. রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, হাইকোট থেকে সরাসরি আদেশ না আসলে ভোট স্থগিত করা যাবে না। ভোট চলবে।
রীট আবেদনকারী আব্দুল বারিক বিশ্বাসের কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।
ইত্তেফাক/এএসএমইউ
