g বিনোদন রিপোর্ট
যৌথ প্রযোজনার সিনেমা নির্মাণ ও বিদেশি ছবি আমদানিতে অনিয়মের প্রতিবাদে জন্ম হয় ‘চলচ্চিত্র পরিবার’-এর। এই পরিবারটির প্রধান নেতা চিত্রনায়ক আকবর হোসেন পাঠান ফারুক। চলচ্চিত্র পরিবার ও জাজ মাল্টিমিডিয়ার ভেতর কয়েকবছর ধরে একটি বড় দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছিল। প্রতিনিয়তই পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠছে। এই অবস্থায় ‘দহন’ সিনেমার সংবাদ সম্মেলনে নায়ক ফারুককে প্রধান অতিথি করে নতুন করে খবরের শিরোনাম হলো ‘এক হচ্ছে যাচ্ছে দুই পক্ষ’। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফারুক উপস্থিত ছিলেন না। ব্যক্তিগত ব্যস্ততার কারণে অনুষ্ঠানে না এলেও কয়েক মিনিটের একটি ভিডিও বার্তা পাঠান।

ভিডিও বার্তায় ফারুক বলেন, ‘আমি দেখছি চলচ্চিত্রে এখন বিভাজন, এই বিভাজন রেখো না। আমার জীবদ্দশায় বহুবার এই ইন্ডাস্ট্রিতে ঝগড়া দেখেছি। আমার সিনিয়র আতা ভাই, কাজী ভাই অনেকে ছিলেন। অ্যাক্সিবিউটরদের সঙ্গে ঝগড়া লাগতো। সেগুলো বসে আবার তারাই ঠিক করতেন। সারাদেশে যতগুলো সিনেমা হল রয়েছে, তার মধ্যে শতাধিক হলে জাজ মাল্টিমিডিয়ার ডিজিটাল মেশিন বসানো। ছবি প্রদর্শনের জন্য সেসব ডিজিটাল মেশিনের ভাড়া গুণতে হয় প্রযোজকদের।’ ফারুক আরো বলেন, ‘আবদুল আজিজ তুমি এই সংসারের (পরিবার) একজন সন্তান। তোমার বিবেক বুদ্ধিতে কি বলে ভাই, আমি জানি না। আমি তোমাকে বলছি, যদি সম্ভব হয় প্রযোজকদের কাছ থেকে মেশিন ভাড়া নিও না। ছেড়ে দাও। এমনকিছু করো যাতে ইন্ডাস্ট্রির উপকারে আসে।’
আবদুল আজিজকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘ভাই তুমি চার-পাঁচটা ছবি শুরু করো সবাইকে নিয়ে। দেখবে ইন্ডাস্ট্রির অনেক উপকারে আসবে। ডানে-বামে ওপরে-নিচে কে কি বললো এত কথা শোনার দরকার নেই।’
এ সময় জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার আব্দুল আজিজ বলেন, ‘আমি মিঞা ভাইকে অগ্রিম অভিবাদন জানাতে চাই। আশা করছি তিনি মনোনয়ন পাবেন। তিনি মনোনয়ন পেয়ে জয়ী হলে আমাদের চলচ্চিত্রের জন্য ভালো। সংসদে বাংলা সিনেমা নিয়ে কথা বলার লোক প্রয়োজন আমাদের।’
