‘আমাদের সাহিত্যে ঔপনিবেশিকতার প্রভাব’

আপডেট : ২৯ মার্চ ২০১৯, ২২:০৪

ইত্তেফাক রিপোর্ট

বিষয় ও আঙ্গিকে আমাদের সাহিত্যকে অবশ্যই ভিনদেশি সাহিত্যের প্রভাবমুক্ত হতে হবে। না হলে আমরা শুধুই সাহিত্যের-প্রতিধ্বনি সৃষ্টি করবো। সেখানে আমাদের জীবন ও বাস্তবতা উঠে আসবে না। আমাদের সাহিত্যে ঔপনিবেশিকতার প্রভাব বড় বেশি দৃশ্যমান। এমনকি গত শতকের ত্রিশের দশকের প্রখ্যাত কবিরাও সেই প্রভাব থেকে মুক্ত হতে পারেননি।

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি মোহাম্মদ রফিক গতকাল শুক্রবার ছুটির দিন সকালে নিজের জীবন ও রচনা নিয়ে আলাপচারিতায় এসব কথা বলেন। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ভবনে বইঘর বাতিঘরের নিয়মিত আয়োজন ‘আমার জীবন আমার রচনা’ শীর্ষক আয়োজনে তিনি নানা বিষয়ে কথা বলেন। নিজের বলা কথার সঙ্গে দিয়েছেন অনুরাগীদের প্রশ্নের উত্তরও। সে আলাপচারিতায় উঠে আসে তার শৈশবের কথা, তার লেখায় মুক্তিযুদ্ধের প্রভাবের কথা। পাশাপাশি তিনি সমকালীন লেখক ও তাদের লেখালেখির ধাঁচ নিয়েও কথা বলেন।

মুক্তিযোদ্ধা এই কবি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ আমার ভেতর ও বাইরে আমূল প্রভাব ফেলেছে। আমি দেখেছি, কিভাবে মানবতা ভূলুণ্ঠিত হয়। এই অভিজ্ঞতার কারণে মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে আমার লেখনী আরো শানিত হয়েছে। যুদ্ধের পর আমি আপন কণ্ঠস্বরটি আরো বেশি খোঁজার চেষ্টা করেছি। একইসঙ্গে অন্বেষণ করেছি আমার দেশ ও দেশের মানুষকে। এর আগে মোহাম্মদ রফিককে নিয়ে কথা বলেন সাংবাদিক-প্রাবন্ধিক আবুল মোমেন। এছাড়াও কবি আলতাফ শাহনেওয়াজের সঞ্চালনায় মোহাম্মদ রফিককে নিয়ে কথা বলেন কবি আলতাফ হোসেন, আলোকচিত্রী নাসির আলী মামুন, কবি ও নাট্য নির্দেশক শুভাশিষ সিনহা, কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক উম্মে ফারহানা প্রমুখ।