ইবির হাজারো শিক্ষার্থীর কণ্ঠে মাদক-জঙ্গি বিরোধী স্লোগান উচ্চারিত

আপডেট : ১৯ জানুয়ারি ২০১৭, ১৬:১৯
নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) হাজারো শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী তামাক, মাদক ও জঙ্গিবিরোধী কর্মসূচি পালন করেছে। অসাম্প্রদায়িক, প্রগতিশীল ও শান্তিপূর্ণ দেশ গঠনের লক্ষে ক্যাট ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ আয়োজনে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহনে ক্যাম্পাসের প্রতিটি সড়ক কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে।
 
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নানকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। পরে দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও ক্যাটের সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রফেসর ড. রাশিদ আসকারীর নেতৃত্বে প্রশাসন ভবন থেক তামাক, মাদক ও জঙ্গিবিরোধী র‌্যালি বের হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫টি বিভাগের হাজার হাজার শিক্ষার্থী মাদক ও জঙ্গি বিরোধী ব্যানার, প্লেকার্ড, ফাস্টুন নিয়ে অংশগ্রহণ করে। র‌্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে গিয়ে আলোচনাসভায় মিলিত হয়। ওই সময় মাদক ও জঙ্গি বিরোধী সচেতনতামূলক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান। 
 
ভিসি প্রফেসর ড. রাশিদ আসকারী মাদক বিরোধী বক্তব্যের পাশাপাশি সকল ধরনের বাধা-বিপত্তিকে দুপায়ে ঠেলে আর্ন্তজাতিকমানের বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার ব্যত্যয় প্রকাশ করেন।
 
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মো. শাহিনুর রহমান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. সেলিম তোহা, অনুষদের ডিনবৃন্দ, শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মাহবুবুর রহমান, হলের প্রভোস্টবৃন্দ, বিভাগীয় সভাপতিবৃন্দ, রেজিস্ট্রার (ভার:প্রাপ্ত) এস এম আব্দুল লতিফ, ছাত্র উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আনোয়ারুল হক স্বপন, প্রক্টর প্রফেসর ড. মাহবুবর রহমান, ক্যাটের সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই নিউজের সম্পাদক সাংবাদিক আলী নিয়ামত, ছাত্রলীগ, ছাত্র ইউনিয়ন সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
 
দুুপুর ২টা থেকে ড. মো. বাকী বিল্লাহ বিকুল ও তিয়াশা চাকমার যৌথ পরিচালনায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে রবীন্দ্র সংগীতের পাশাপাশি আধুনিক গান ও নিত্য পরিবেশিত হয়। 
 
ইত্তেফাক/এমআই